Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বুরে দিন! আর্থিক বৃদ্ধির হার আরও কমে গেল, গত ৬ বছরে সবথেকে খারাপ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদী সরকারের দ্বিতীয় জমানার শুরুতে আর্থিক বৃদ্ধির হার আরও কমে গেল। চলতি আর্থিক বছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিক তথা জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন তথা জিডিপি বৃদ্ধির হার প্রকাশ পেয়েছে। তাতে

বুরে দিন! আর্থিক বৃদ্ধির হার আরও কমে গেল, গত ৬ বছরে সবথেকে খারাপ

শেষ আপডেট: 29 November 2019 12:16

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদী সরকারের দ্বিতীয় জমানার শুরুতে আর্থিক বৃদ্ধির হার আরও কমে গেল। চলতি আর্থিক বছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিক তথা জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন তথা জিডিপি বৃদ্ধির হার প্রকাশ পেয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে গত ৬ বছরের মধ্যে সবথেকে ভয়ঙ্কর অবস্থায় ঘরোয়া অর্থনীতি। দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে আর্থিক বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে মাত্র সাড়ে ৪ শতাংশ। অথচ গত বছরও এই একই সময়সীমায় আর্থিক বৃদ্ধির হার ছিল ৭ শতাংশ। মোদী সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদের গোড়ায় তথা চলতি আর্থিক বছরের প্রথম তিন মাসে আর্থিক বৃদ্ধির হার ছিল মাত্র ৫ শতাংশ। তা নিয়ে শিল্পমহল থেকে শুরু করে সর্বত্র হইহই পড়ে গিয়েছিল। ভারতের অর্থনীতিকে ক্রমশ মন্দা গ্রাস করে নিচ্ছে কিনা তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল বিভিন্ন মহলে। তা ছাড়া এও দেখা যাচ্ছিল যে চাহিদা কমে যাওয়ায় শিল্পে উৎপাদনের হার বৃদ্ধিও কমছে। সেই সঙ্গে কর্মী ছাঁটাই শুরু হয়ে গিয়েছে গাড়ি শিল্প সহ অন্যান্য ভারী শিল্পে। সেই পরিস্থিতিতে সরকার কর্পোরেট করের হার কম করা, একাধিক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ককে মিশিয়ে দেওয়ার মতো পদক্ষেপ নিয়েছিল। তা ছাড়া রিজার্ভ ব্যাঙ্কও বেশ কয়েকবার রেপো রেট কমিয়ে দেয়। কিন্তু দেখা গেল, সেইসব পদক্ষেপ স্বল্পমেয়াদে হয়তো কোনও সুরাহা দিতে পারেনি। প্রথম তিন মাসের থেকেও বৃদ্ধির হার কমে গিয়েছে দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে।

আরও পড়ুন: মোদী সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতেই বাজেট ঘাটতি বিপুল, আয় কম, খরচ বেশি

মনমোহন জমানার শেষ দিকে সেই আর্থিক দুর্দশার পরিস্থিতিকে প্রেক্ষাপট করে গোটা দেশকে আচ্ছে দিনের স্বপ্ন দেখিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু আচ্ছে দিন তো পরের কথা, তাঁর মেয়াদেও অর্থনীতির বুরে দিন অব্যহত থাকবে কে জানত! শুক্রবার সরকার আর্থিক বৃদ্ধি সংক্রান্ত যে পরিসংখ্যান ঘোষণা করেছে তাতে স্বাভাবিক ভাবেই অর্থনীতিকদের অনেকে হতাশ। তাঁরা মনে করেছিলেন, কিছুদিন আগে উৎসবের মরশুম গিয়েছে। তখন বোধহয় বাজারে ভালই সচল ছিল। কারণ উৎসবের সময় মানুষের চাহিদা থাকে বেশি। কিন্তু শুক্রবারের পরিসংখ্যান প্রকাশের পর মনে করা হচ্ছে, এবার তাহলে উৎসবের সময় কেনাকাটাতেও ভাল ভাটা ছিল। তবে দেশি-বিদেশি অর্থনীতিকদের অনেকে এমনটাই আন্দাজ করেছিলেন। সংবাদসংস্থা রয়টার্স এ ব্যাপারে কার্যত অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে ভোটাভুটি করেছিল। তাতেও পূর্বানুমান করা হয়েছিল যে দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে বৃদ্ধির হার ৫ শতাংশ পার করবে না। তা কমবেশি ৪.৭ শতাংশে গিয়ে ঠেকতে পারে।

```