Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্যক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালীIPL 2026: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরে টেবিলের তলানিতে কেকেআর! গুরুতর বদলের ইঙ্গিত রাহানের নববর্ষের 'শুভনন্দন'-এও মুখ্যমন্ত্রীর SIR তোপ! বাংলায় পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল‘ইরানকে বিশ্বাস নেই’, যুদ্ধবিরতির মাঝে বিস্ফোরক জেডি ভ্যান্স! তবে কি ভেস্তে যাবে শান্তি আলোচনা?

রোহিঙ্গাদের ওপরে গণহত্যা চালানোই উদ্দেশ্য ছিল মায়ানমারের সেনার, জানাল রাষ্ট্রসঙ্ঘ

দ্য ওয়াল ব্যুরো : ২০১৭ সালে মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশ ছেড়ে প্রতিবেশী দেশগুলিতে পালাতে শুরু করে রোহিঙ্গা উপজাতির লক্ষ লক্ষ মানুষ। উদ্বাস্তুরা তখনই বলেছিল, রাখাইন প্রদেশে গণহত্যা হয়েছে। তার এক বছর বাদে মায়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি গণ

রোহিঙ্গাদের ওপরে গণহত্যা চালানোই উদ্দেশ্য ছিল মায়ানমারের সেনার, জানাল রাষ্ট্রসঙ্ঘ

শেষ আপডেট: 27 August 2018 11:18

দ্য ওয়াল ব্যুরো : ২০১৭ সালে মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশ ছেড়ে প্রতিবেশী দেশগুলিতে পালাতে শুরু করে রোহিঙ্গা উপজাতির লক্ষ লক্ষ মানুষ। উদ্বাস্তুরা তখনই বলেছিল, রাখাইন প্রদেশে গণহত্যা হয়েছে। তার এক বছর বাদে মায়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি গণহত্যার অভিযোগ আনলেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের তদন্তকারীরাও। গত বছর ওই তদন্তকারী দল তৈরি করা হয়।  তাঁরা বাংলাদেশে ও অন্যত্র রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু শিবিরে গিয়ে মোট ৮৭৫ জনের সঙ্গে কথা বলেছেন।  সংশ্লিষ্ট ভিডিও, ফটোগ্রাফ, নথিপত্র ও স্যাটেলাইট ইমেজ পরীক্ষা করেছেন। সোমবার তাঁরা এক রিপোর্ট পেশ করেন। তাতে বলা হয়েছে, মায়ানমারের বাহিনীর কম্যান্ডার ইন চিফ এবং আরও পাঁচ সেনাকর্তা রোহিঙ্গাদের ওপরে গণহত্যা চালাতে গিয়েছিলেন। মানবতার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অপরাধ করার জন্য তাঁদের বিচার হওয়া উচিত। নোবেলজয়ী আউং সাং সু কি-র সরকারকেও দোষারোপ করেছেন তদন্তকারীরা।  তাঁরা স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানোর জন্য যখন ভাষণ দেওয়া হচ্ছিল, তখন সরকার তা থামাতে পারেনি। যে সব নথিপত্রে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রমাণ ছিল, সেসব পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। রাখাইন, কারেন ও শান প্রদেশে সেনাবাহিনী যখন মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করছে, সরকার থামানোর চেষ্টাই করেনি।  কার্যত সরকার ওই অপরাধগুলিতে সাহায্যই করেছে। গতবছর আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি নামে এক জঙ্গি সংগঠন রাখাইন প্রদেশে ৩০ টি থানা ও সেনাঘাঁটিতে আক্রমণ চালায়। তারপর সন্ত্রাসবাদ দমনের অজুহাতে সেখানে সেনা অভিযান শুরু হয়। গ্রামের পর গ্রাম পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া হয়। মোট সাত লক্ষ রোহিঙ্গা পালিয়ে প্রতিবেশী বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।  এখনও তারা রয়েছে ত্রাণশিবিরে। রাষ্ট্রসঙ্ঘ বলেছে, জঙ্গিরা এতদূর শক্তিশালী হয়ে ওঠেনি যে তাদের দমন করতে অত বড় সেনা অভিযান করতে হবে। গণহত্যা চালানোই সেনাবাহিনীর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল। কোনও জাতি, জনজাতি অথবা ধর্মীয় গোষ্ঠীকে আংশিক বা পুরোপুরি ধ্বংস করে ফেলার চেষ্টাকে রাষ্ট্রসঙ্ঘ গণহত্যা বলে। খুব কম ক্ষেত্রেই এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।  অতীতে বসনিয়া, সুদানে গৃহযুদ্ধ এবং সিরিয়া ও ইরাকে ইয়াজদি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ইসলামিক স্টেটের আক্রমণকে রাষ্ট্রসঙ্ঘ গণহত্যা বলে চিহ্ণিত করেছে। রাষ্ট্রসঙ্ঘের তথ্যানুসন্ধানী দল রিপোর্টে বলেছে, রাখাইন প্রদেশে ঘুরে যে তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গিয়েছে, তাতে মায়ানমারের সেনাবাহিনীর কর্তাব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা শুরু করে যায়।  রিপোর্টের এক কপি মায়ানমার সরকারকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারা এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। তদন্তকারীরা বলেছেন, গণহত্যায় যারা সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছিল রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ তাদের বিরুদ্ধে এখনই ব্যবস্থা নিতে পারে।  তাদের বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ জারি করা যেতে পারে।  সম্পত্তিও ফ্রিজ করে দেওয়া যেতে পারে।

```