দ্য ওয়াল ব্যুরো : ১৯৯৯ সালে দিল্লি থেকে লাহোর পর্যন্ত বাস নিয়ে গিয়ে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী ভেবেছিলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে শান্তি স্থাপন করা যাবে। কিন্তু পাকিস্তান তাঁর সৌজন্যের মূল্য দেয়নি। তার কিছুদিন বাদেই কারগিলে সেনা ঢুকিয়ে দিয়েছিল। বাজপেয়ীর মৃত্যুর পরে সেই প্রতিবেশী দেশও স্বীকার করল, তিনি শান্তির ব্যাপারে আন্তরিক ছিলেন। তেহরিক ই ইনসাফ পার্টির নেতা ইমরান খান মন্তব্য করেছেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যদি শান্তি থাকে, তাই হবে বাজপেয়ীজির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর শ্রেষ্ঠ উপায়।
ইমরান এক বিবৃতিতে বলেছেন, এই উপমহাদেশে বাজপেয়ী ছিলেন এক বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্কের উন্নতির জন্য তিনি যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তা মানুষ মনে রাখবে। একসময় তিনি যখন বিদেশমন্ত্রী ছিলেন, ভারত-পাকিস্তানের উন্নতির জন্য উদ্যোগ নেন। পরে প্রধানমন্ত্রী হয়েও তিনি শান্তিপ্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে শূন্যতা সৃষ্টি হল।
পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রক থেকে আর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাজপেয়ীর মৃত্যুসংবাদ পেয়ে আমরা শোকাহত। তিনি ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের উন্নতি চেয়েছিলেন।