দ্য ওয়াল ব্যুরো : বাজপেয়ীই প্রথমে বুঝতে পেরেছিলেন, ভারত আমেরিকার স্বাভাবিক মিত্র হতে পারে। এই বলে প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে আমেরিকা।
সেদেশের বিদেশমন্ত্রী মাইক পম্পিও বলেছেন, এই শোকের দিনে আমেরিকার জনগণ ভারতের পাশে আছে। তিনি দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতিতে বাজপেয়ীর অবদানের কথা সশ্রদ্ধভাবে স্মরণ করেছেন।
তাঁর বিবৃতিতে আছে, বাজপেয়ী ২০০০ সালে আমেরিকার কংগ্রেসে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, ভারত ও আমেরিকা উভয়েই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী। দুই দেশ একসঙ্গে চেষ্টা করলে উভয়েরই আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে। বিশ্বে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে বড় ভূমিকা নিতে পারবে। এখন আমাদের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক যথেষ্ট গভীর। তাঁর দূরদর্শিতার ফলে দুই দেশই লাভবান হয়েছে।
বাজপেয়ীর ২০০০ সালের আমেরিকা সফর নানা দিক থেকে ঐতিহাসিক। দুবছর আগে ১৯৯৮ সালে ভারত পোখরানে পরমাণু বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল। তার পরে আমেরিকা ও অন্যান্য পশ্চিমী শক্তিগুলি ভারতের ওপরে অসন্তুষ্ট হয়। ভারতের ওপরে নানা নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়। আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্যই বাজপেয়ী আমেরিকায় গিয়েছিলেন। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর রাষ্ট্রের রাগ ভাঙানো সহজ কাজ ছিল না। কিন্তু দক্ষ কূটনীতিক হিসাবে সফল হয়েছিলেন বাজপেয়ী। সেজন্যই আমেরিকানরা তাঁর ২০০০ সালের সফর এতদিন পরেও মনে রেখেছে।