দ্য ওয়াল ব্যুরো : সারদা কেলেঙ্কারি ফাঁস হওয়ার পরে বারে বারেই অভিযোগ উঠেছে, ওই অর্থলগ্নি সংস্থার টাকার এক বড় অংশ গিয়েছে তৃণমূলের তহবিলে। এবার সেই অভিযোগ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই।
তদন্তে জানা গিয়েছে, ২০১৩ সাল থেকে দুবছর ধরে তৃণমূলের তহবিলে জমা পড়েছে ২০-২৫টি বেনামি ডিম্যান্ড ড্রাফট। সেই ড্রাফটগুলি কারা দিয়েছিল, কেন দিয়েছিল, তা নিয়ে সিবিআই এখন খোঁজ নিচ্ছে।
সিবিআই সূত্রে বলা হচ্ছে, হরিশ মুখার্জি রোডে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখায় বহুদিন ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। সিবিআইয়ের তরফে ব্যাঙ্কের ওই শাখায় চিঠি পাঠিয়ে সুনির্দিষ্ট ভাবে কিছু নথিও তলব করা হয়েছে।
এ সম্পর্কে তৃণমূলের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি। তবে তৃণমূলের এক নেতা বলেন, যে সময়ে তহবিলে অনিয়মের কথা বলা হয়েছে তখন মুকুল রায় দলের সেকেন্ডম্যান ছিলেন। দলের অন্য এক মুখপাত্রের বক্তব্য, প্রতিহিংসার রাজনীতি শুরু করে দিয়েছে বিজেপি।
গত শনিবার কলকাতায় দলীয় প্রচার েএসে সারদা, নারদ, রোজভ্যালি কাণ্ডের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছিলেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। বলেছিলেন, বিরোধী দলনেত্রী থাকার সময় দুর্নীতির বিরোধিতা করতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু গত সাত বছরে সারদা, রোজভ্যালি, গরু, কয়লা আর ভাইপোর দুর্নীতিতে তৃণমূল আকন্ঠ ডুবে গিয়েছে।
বিজেপি সভাপতির ওই মন্তব্যের পর থেকেই তৃণমূলের একাংশে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, চিট ফান্ড তদন্তে সিবিআই হয়তো ফের সক্রিয় হবে। সোমবারের ঘটনা তৃণমূলের সেই উদ্বেগে আরও হাওয়া দিল বলেই মনে করা হচ্ছে।