দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার রাত থেকেই দফায় দফায় চলছে গুলির লড়াই। কাশ্মীরের সোপিয়ান, পুলওয়ামাতে জঙ্গি তাণ্ডবে উত্তপ্ত উপত্যকা। পাল্টা মোকাবিলায় নেমেছে সেনাবাহিনী, সিআরপিএফ ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের বিশেষ দল। রবিবারই পুলওয়ামার কাকাবোরা এলাকায় সিআরপিএফ ক্যাম্প লক্ষ্য করে জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় প্রাণ গিয়েছিল এক জওয়ানের। সোমবার সোপিয়ানে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হল আরও এক সিআরপিএফ-এর। সংঘর্ষে নিহত চার জঙ্গিও।
সেনা সূত্রে খবর, শ্রীনগর থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরত্বে সোপিয়ানের নাদিগাম গ্রামে হামলা চালায় জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দেয় সেনারাও। দু'পক্ষের গুলির লড়াইতে এখনও পর্যন্ত এক জওয়ানের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। গুরুতর জখম আরও তিন জওয়ান। খত চার জঙ্গি আল- বদর গ্রুপের সদস্য বলে মনে করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার থেকে পুলিশের চর সন্দেহে সোপিয়ানের একের পর এক যুবক ও কিশোরকে অপহরণ করছে জঙ্গিরা। বৃহস্পতিবার ১৭ বছরের নাদিম মনজুরকে গুলি করে হত্যা করার ভিডিয়ো প্রকাশ করে জঙ্গি সংগঠন হিজবুল মুজাহিদিন।তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সোপিয়ান ও কুলগামের কয়েকটি গ্রাম থেকে পাঁচ জনকে অপহরণ করা হয়। তাদের মধ্যে বছর উনিশের হুজেফ কুত্তের গলাকাটা দেহ উদ্ধার হয়েছে সোপিয়ান থেকে। পরে অপহৃতদের মধ্যে তিন জনকে মুক্তি দেয় জঙ্গিরা। পঞ্চম জনের এখনও খোঁজ মেলেনি।
পুলিশ ও সেনা সূত্রের মতে, দক্ষিণ কাশ্মীরের ওই এলাকার বাসিন্দাদের এক বড় অংশ জঙ্গিদের কার্যকলাপে ক্ষুব্ধ। ফলে বাহিনীকে সাহায্য করছেন তাঁরা। যার ফলে বেশ বড় ক্ষতি হচ্ছে জঙ্গিদের। আক্রোশ মেটাতেই গ্রামে গ্রামে হামলা চালাতে শুরু করেছে তারা। রবিবারই রেব্বান এলাকায় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে দুই জঙ্গি নিহত হয়েছে। পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলায় নিহত হয়েছেন চন্দ্রিকা প্রসাদ নামে এক সিআরপিএফ জওয়ান।