দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেরলের পাশে কলকাতা। দক্ষিণের বন্যাবিধ্বস্ত রাজ্যটিতে সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য শহরের বিভিন্ন স্তরে শুরু হয়েছে প্রচেষ্টা। অনেকেই নিজের মতো করে ত্রাণসামগ্রী সংগ্রহ করে পাঠানো ব্যবস্থা করছেন, কেউ বা আর্থিক সাহায্য়ও করছেন।
দিন কয়েক ধরেই বৃষ্টি উপেক্ষা করে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে অর্থ সংগ্রহে নামে বিভিন্ন সংগঠন, রাজনৈতিক দল। রবিবার সকালে শ্যামবাজারে অর্থ সংগ্রহে নামে কয়েকটি ক্লাব। পথচলতি মানুষ, আশপাশের দোকান থেকে চলে দুর্গতদের জন্য সাহায্যগ্রহণ। যোগ দেন নাট্যব্যক্তিত্ব রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত, প্রাক্তন ক্রিকেটার উৎপল চ্যাটার্জি, ক্রিকেটকর্তা বিশ্বরূপ দে, ফুটবলার শৌভিক চক্রবর্তী প্রমুখ। আজ, সোমবারও ত্রাণ সংগ্রহ চলবে হেদুয়া অঞ্চলে। সেগুলি কেরলের মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দেওয়া হবে।
সোমবার সকালে দক্ষিণ যাদবপুর এলাকায় অর্থ সংগ্রহে নামেন বিধানসভায় সিপিএমের দলনেতা সুজন। ওই অঞ্চলে কেরলের বহু মানুষ বসবাস করেন। তাঁরাও এগিয়ে আসেন অর্থসংগ্রহে। অর্থসংগ্রহ চলে ভবানীপুরে। প্রসঙ্গত, বিভিন্ন জেলাতেও চলছে কেরলের জন্য ত্রাণ-সংগ্রহ। উল্টোডাঙা, খান্না এলাকায় ত্রাণ সংগ্রহ হয় একটি সংগঠনের তরফে। টাকার পাশাপাশি অনেকে নতুন জামাকাপড়ও দেন। সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, কেরলের বন্যাদুর্গতদের জন্য শুকনো খাবার, ওষুধ, মশারি, টর্চ–সহ আরও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠানো হবে।
দু’হাজার নতুন জামাকাপড় নিয়ে সংগঠনের সদস্যরা যাবেন কেরলে। আগামী রবিবার তাদের উদ্যোগে রবীন্দ্রসদন, মেটিয়াবুরুজ অঞ্চলে ত্রাণ সংগ্রহ করা হবে। ত্রাণ তহবিল গঠনে উদ্যোগ নিয়েছে চিকিৎসকদের সংগঠন পিআরসি–ও। একটি সংগঠনের তরফে আবার প্রচুর পরিমামে বেবিফুড ও ওআরএস পাঠানো হচ্ছে।
কেরলের বন্যাদুর্গতদের জন্য এক মাসের বেতন দেবেন বলে ঠিক করেছেন বাংলার বাম বিধায়কেরা। বিধানসভায় বামফ্রন্টের দলনেতা সুজন চক্রবর্তী রবিবার বলেন, ‘বাম বিধায়কেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এক মাসের বেতনের টাকা কেরলের মু্খ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে জমা দেওয়ার। কয়েক দিনের মধ্যে ওই টাকা পাঠানো হবে।’