
শেষ আপডেট: 23 November 2022 10:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লিতে লিভ-ইন পার্টনারকে খুনের পর টুকরো টুকরো করে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা দেশজুড়ে। যদিও মঙ্গলবার ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে খুনের কথা স্বীকার করেনি অভিযুক্ত আফতাব পুনাওয়ালা (Aaftab Poonawala)। তবে শ্রদ্ধা ওয়াকার (Shraddha Walkar) খুনের তদন্তের জল যে বহুদূর গড়াবে, এদিন তা আরও একবার পরিষ্কার হয়ে গেল। তদন্তে দিল্লি পুলিশের হাতে এমনই কিছু তথ্যপ্রমাণ উঠে এল, যা দেখার পর সহজেই অনুমান করা যায় যে আফতাব আগেও বেশ কয়েকবার মারার চেষ্টা করেছিল।
জানা গেছে, ২০২০ সালে আফতাবের নামে পুলিশে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন তার লিভ ইন পার্টনার শ্রদ্ধা ওয়াকার। সেখানে তিনি লিখেছিলেন যে, আফতাব তাঁকে মাঝেমধ্যেই মারধর করে। এমনকী কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলার হুমকিও দেয়। সেইসময় দেশজুড়ে করোনা পরিস্থিতি। তখন দু'জনে মহারাষ্ট্রের ভেসাইয়ে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকতেন। সেই বছরই ২৩ নভেম্বর পুলিশকে একটি চিঠি (letter) লিখেছিলেন শ্রদ্ধা। যার ছত্রে ছত্রে ফুটে উঠেছিল অত্যাচার, মারধরের কথা।
চিঠিতে শ্রদ্ধা অভিযোগ করেন যে, আফতাব তাঁকে প্রতিনিয়ত মারধর করে। ওর পরিবারও এই বিষয়ে জানে। এমনকী কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলার ভয়ও দেখায়। খুনের তদন্ত চলাকালীন সেই চিঠির হদিস পায় পুলিশ। এবার শ্রদ্ধার সেই অভিযোগ পেয়ে ভাসাই থানার পুলিশ কী ব্যবস্থা নিয়েছিল, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তদন্তকারী অফিসাররা।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত মে মাসে দিল্লিতে প্রেমিকা শ্রদ্ধা ওয়াকারকে খুন করে তাঁর লিভ ইন পার্টনার আফতাব পুনাওয়ালা। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে যে শ্রদ্ধাকে খুনের পর সেই মৃত দেহটির ৩৫টি টুকরো করে আফতাব। এরপর দিল্লি ও তৎসংলগ্ন এলাকার বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেয়। বর্তমানে অভিযুক্তকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে দিল্লি পুলিশ। যার ফলে বেরিয়ে আসছে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য।
নেশামুক্তি কেন্দ্র থেকে ফিরেই বাবা-মা সহ পরিবারের সবাইকে খুন! নৃশংস হত্যাকাণ্ড দিল্লিতে