বছরের শুরুতেই রক্তাক্ত সীমান্ত, পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীদের গুলিতে হত দুই জওয়ান
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সেনাপ্রধানের দায়িত্ব নিয়েই পাকিস্তানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানে। সন্ত্রাস ও নাশকতার লড়াই বন্ধ না করলে আগামী দিনে ভারত যে আবারও সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের মতো কঠোর প্রত্যাঘাতের পথ বেছ
শেষ আপডেট: 31 December 2019 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সেনাপ্রধানের দায়িত্ব নিয়েই পাকিস্তানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানে। সন্ত্রাস ও নাশকতার লড়াই বন্ধ না করলে আগামী দিনে ভারত যে আবারও সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের মতো কঠোর প্রত্যাঘাতের পথ বেছে নেবে সেটাও স্পষ্ট করেছিলেন তিনি। সেনাপ্রধানের হুঁশিয়ারির ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি। ফের রক্ত ঝরল উপত্যকায়। রাজৌরিতে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে সশস্ত্র অনুপ্রবেশকারীদের এলোপাথাড়ি গুলিতে প্রাণ হারালেন দুই জওয়ান।
রাজৌরির নওসেরা সেক্টরের কালাল এলাকায় গুলির লড়াই শুরু হয় বুধবার ভোররাত থেকে। সেনা সূত্রে খবর, পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকে খারি থারায়াত জঙ্গল হয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছিল অনুপ্রবেশকারীরা। জওয়ানরা তাদের বাধা দিতে গেলেই দু'পক্ষের গুলি বিনিময় শুরু হয়ে যায়। অনুপ্রবেশকারীদের এলোপাথাড়ি গুলিতে প্রাণ যায় দুই সেনা জওয়ানের। গুলির লড়াই এখনও চলছে বলেই সেনা সূত্রে খবর। ভারতীয় বাহিনীর প্রতিআক্রমণে পিছু হটছে পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীরা।

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট আগেই জানিয়েছিল, সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা চালাচ্ছে পাক মদতপুষ্ট লস্কর, জইশের জঙ্গিরা। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ফিদাঁয়ে জঙ্গি তৈরির প্রশিক্ষণও চলছে। রাজৌরির নওসেরা সেক্টরে জঙ্গিদের আনাগোনা শুরু হয়েছে বলে আগেই খবর দিয়েছিল গোয়েন্দা সূত্র। বলা হয়েছিল, আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে নওসেরা সেক্টরের কাছাকাছি ঘাঁটি তৈরির চেষ্টা করছে জঙ্গিরা। এদিন ভোর রাতে তল্লাশি অভিযান চালাতে গেলেই সেনাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে সন্দেহভাজন জঙ্গিরা।
সেনার এক উচ্চপদস্থ কর্তা জানিয়েছেন, “পাকিস্তানের বর্ডার অ্যাকশন টিম ( ব্যাট )-এর গতিবিধি অনেক বেড়ে গেছে। সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা বেড়েছে। গুলি চালানোর ঘটনা বেড়েছে। আর এসবই বেড়েছে ৫ অগস্টের পর থেকে। পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার পর ভারতীয় বায়ুসেনার বালাকোট হামলার পর থেকে এই ধরনের ঘটনা বেড়েছে।” সেনা সূত্রে খবর, এই মুহূর্তে কাশ্মীরে প্রায় ৩০০ ও জম্মুতে অন্তত ২০ জন জঙ্গি লুকিয়ে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।