
শেষ আপডেট: 2 April 2023 03:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার মেয়ো রোডে (Mayo road) মিনিবাস (minibus) দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল দুই আরোহীর। এর মধ্যে একজনের নাম ফারহাদ আহমেদ (১৬)। তার বাড়ি খিদিরপুরের ওয়াটগঞ্জ থানা এলাকায়। তবে অপরজনের পরিচয় রবিবার এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত জানা যায়নি। এছাড়াও, বহু যাত্রী আহত হয়েছেন।
সূত্রের খবর, শনিবার মেয়ো রোড ও ডাফরিন রোডের ক্রসিংয়ে, গান্ধীমূর্তির সামনে একটি যাত্রীবোঝাই মিনিবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। সেসময় মেটিয়াবুরুজ থকে হাওড়া যাচ্ছিল বাসটি। পুলিশ জানিয়েছে, দু'জনের মৃত্যু ছাড়াও তিন মহিলা-সহ মোট ১৯ জন আরোহী এই ঘটনায় আহত হয়েছেন। তাঁদেরকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আপাতত সেখানেই চিকিৎসাধীন তাঁরা। এঁদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক।
তদন্তে নেমে জানা যায়, ১০০টিরও বেশি কেস রয়েছে ওই মিনিবাসটির নামে। আদালতে বাসটির বিরুদ্ধে ৭১টি মামলা রয়েছে। তালিকায় রয়েছে ট্রাফিক সিগন্যাল না ভাঙা, বেপরোয়া গতিতে চালানো, ধাক্কা মারার মতো অভিযোগও। এছাড়াও ছোটখাটো ট্রাফিক আইন না মানার কেসও রয়েছে ২৬টি। রাস্তায় যেখানে সেখানে বাস দাঁড় করিয়ে রাখার একাধিক অভিযোগ রয়েছে ওই বাসটির বিরুদ্ধে।
সূত্রের খবর, ২০০৯ সালে এটি কেনা হয়েছিল। এতদিন ধরে ফিটনেস সার্টিফিকেট ছাড়াই বাসটি চলছিল। টায়ারের অবস্থাও খুবই খারাপ ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। এরফলে দুর্ঘটনার সময় চালক ব্রেক কষলেও বাসটিকে থামানো যায়নি বলে মনে করা হচ্ছে। তার উপর এতগুলো কেস হওয়া সত্ত্বেও জরিমানার টাকা মেটাননি বাসের মালিক। এতকিছুর পরেও বাসটি কীভাবে রোজ রাস্তায় নামছিল, তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠছে।
মেয়ো রোডে উল্টে গেল মিনিবাস, জানলা ভেঙে চলছে উদ্ধারকাজ, আহত বহু যাত্রী