দ্য ওয়াল ব্যুরো : সোমবার সকালে জম্মু-কাশ্মীরের বারামুলা জেলায় টহল দিচ্ছিল পুলিস ও সিআরপিএফের একটি যৌথ টিম। জঙ্গিরা তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। সিআরপিএফের দু'জন ও একজন পুলিশকর্মী ঘটনাস্থলে নিহত হন। জঙ্গিদের ধরা যায়নি।
পুলিস জানিয়েছে, যৌথ টিম ক্রিরি চেক পোস্টের কাছে ডিউটি করছিল। পুলিশের আই জি বিজয় কুমার জানিয়েছেন, আমরা জঙ্গি হানায় তিন জওয়ানকে হারিয়েছি। ঘটনাস্থলে বাড়তি ফোর্স পাঠানো হয়েছে। এসম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে পরে।
কাশ্মীর জোনের পুলিস টুইট করে জানিয়েছে, "বারামুলার ক্রিরি অঞ্চলে পুলিস ও সিআরপিএফের একটি যৌথ বাহিনীকে লক্ষ্য করে সন্ত্রাসবাদীরা গুলি চালায়। দুই সিআরপিএফ জওয়ান ও এক পুলিশকর্মী গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে তাঁদের মৃত্যু হয়। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে। তল্লাশি চলছে।"
https://twitter.com/KashmirPolice/status/1295225861013028864
কাশ্মীরে গত এক সপ্তাহে এই নিয়ে তিনবার নিরাপত্তারক্ষীরা জঙ্গি হানার মুখে পড়লেন। গত ১৪ অগাস্ট শ্রীনগরের অদূরে নওগাম অঞ্চলে জঙ্গি হানায় দুই পুলিশকর্মী নিহত হন। আহত হন আরও একজন। কাশ্মীর জোনের পুলিস টুইট করে জানায়, "নওগাম বাইপাসে জঙ্গিরা পুলিশের টহলদার বাহিনীর ওপরে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। তিনজন গুরুতর আহত হন। তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দু'জন মারা যান।"
সিসিটিভিতে এই ঘটনা ধরা পড়ে। তাতে দেখা যায়, নিরাপত্তার গাফিলতির সুযোগ নিয়ে জঙ্গিরা পালিয়েছে। ১২ অগাস্ট শ্রীনগর-বারামুলা হাইওয়ের ওপরে হায়গাম অঞ্চলে সেনাবাহিনীর এক কুইক রিঅ্যাকশান টিমকে লক্ষ্য করে জঙ্গিরা গুলি ছোড়ে। এক সেনা জওয়ান আহত হন।
গত ৬ অগাস্ট সকালে কুলগাম জেলার কাজিগুন্দ এলাকায় বিজেপির গ্রামপ্রধানকে হত্যা করে জঙ্গিরা। সেই সময় বাড়ির বাইরে ছিলেন কুলগাম জেলার বিজেপি সহ-সভাপতি সাজ্জাদ। বাড়ির বাইরেই গুলিবিদ্ধ হন তিনি। সাজ্জাদের গুলি লাগার পরেই জঙ্গিরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়রা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।
৪ অগাস্ট কুলগাম জেলাতেই বিজেপির গ্রামপ্রধান আখরানের উপর হামলা করে জঙ্গিরা। জঙ্গিদের গুলিতে গুরুতর জখম হন আখরান। এই মুহূর্তে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই জঙ্গিদের গুলিতে প্রাণ গেল সাজ্জাদের।