Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
West Bengal Election 2026 | ‘৫০-আসন জিতে তৃণমূলকে ১৫০-আসনে হারাব’ মাতৃত্বের দুশ্চিন্তা, ‘ভাল মা’ হওয়ার প্রশ্ন—সদগুরুর পরামর্শে স্বস্তি পেলেন আলিয়ালক্ষ্য ২০২৯ লোকসভা ভোট, তড়িঘড়ি মহিলা সংরক্ষণ কার্যকরে মরিয়া মোদী! বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি কংগ্রেস?Gold investment: যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম কমছে! এটাই কি বিনিয়োগের সেরা সময়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরারহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্ল

ব্রেন ডেথ হওয়া ১৮ বছরের ছেলের চোখ দিয়ে জল গড়াল মায়ের কান্না শুনে, বাড়ি ফিরল সুস্থ হয়ে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: যম এসে মাথার কাছে দাঁড়ালেও, মায়ের কান্নার বাঁধন ছিঁড়ে জীবন ছেড়ে যেতে পারল না গন্ধম কিরণ।  ১৮ বছরেরে ছেলেটা প্রচণ্ড জ্বর আর বমি নিয়ে ২৬শে জুন ভর্তি হয়েছিল হাসপাতালে।  ক্রমশ তার অবস্থার অবনতি হতে থাকে।  তাকে অন্য হাসপাতালে

ব্রেন ডেথ হওয়া ১৮ বছরের ছেলের চোখ দিয়ে জল গড়াল মায়ের কান্না শুনে, বাড়ি ফিরল সুস্থ হয়ে

শেষ আপডেট: 26 August 2019 09:05

দ্য ওয়াল ব্যুরো: যম এসে মাথার কাছে দাঁড়ালেও, মায়ের কান্নার বাঁধন ছিঁড়ে জীবন ছেড়ে যেতে পারল না গন্ধম কিরণ।  ১৮ বছরেরে ছেলেটা প্রচণ্ড জ্বর আর বমি নিয়ে ২৬শে জুন ভর্তি হয়েছিল হাসপাতালে।  ক্রমশ তার অবস্থার অবনতি হতে থাকে।  তাকে অন্য হাসপাতালেও নিয়ে যাওয়া হয়।  এরপরই সে কোমায় চলে যায়, ডাক্তাররা জানিয়ে দেন আর কিছু সম্ভব নয়, ব্রেনডেথ হয়েছে তার! খাট কেনা থেকে, শেষকৃত্যের প্রস্তুতিও শুরু করে দেন বাড়ির লোকজন।  তারপরই ঘটে অবিশ্বাস্য সেই ঘটনা। তেলেঙ্গানার সূর্যপেট জেলার পালামুড়ি গ্রামের সরকারি একটি হাসপাতালে গন্ধম কিরণকে ভর্তি করা হয়।  সেখানকার চিকিৎসকরা জানান তার শরীরে মারাত্মক ভাবে হেপাটাইটিস বাসা বেঁধেছে।  ২৬ শে জুন থেকে ২৮ শে জুন পর্যন্ত অবস্থা দেখে সেখানকার ডাক্তাররা গন্ধমের ব্যাপারে হতাশ হয়ে পড়েন এবং তাকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। ২৮ শে জুন তাকে তার পরিবারের লোকজন হায়দরাবাদে একটি হাসপাতালে নিয়ে যান।  সেখানে তাকে ভর্তি করার পাঁচ দিনের মাথায় ৩রা জুলাই সে কোমায় চলে যায়।  ডাক্তাররা এরপরেই জানিয়ে দেন, গন্ধমের ব্রেন ডেথ হয়েছে।  পরিবারে স্বাভাবিকভাবেই শোকের ছায়া নেমে আসে।  তোড়জোড় চলে শেষকৃত্যের। যে সময় তার খাট সাজানো হচ্ছিল।  সকলে ব্যস্ত শেষ কাজের প্রস্তুতিতে তখনই গন্ধমের মা সিদ্ধামা ছেলের মাথার কাছে বসে প্রচণ্ডভাবে কাঁদতে থাকেন।  সন্তান হারানোর পরে ডুকরে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন সিদ্ধামা।  সে সময় সকলকে অবাক করে দিয়ে দেখা যায় গন্ধমের চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে! সঙ্গে সঙ্গে তাকে হায়দরাবাদের সেই হাসপাতালেই আবারও নিয়ে যাওয়া হয়।  ডাক্তাররাও অবাক হয়ে জানান, গন্ধমের পালস্ কাজ করছে।  তার দেহে প্রাণও রয়েছে।  এরপর চলতে থাকে চিকিৎসা।  ২৫ শে অগস্ট সিদ্ধামা নিজের সন্তানকে নিয়ে বাড়ি ফিরে এসেছেন।  আপাতত ছেলের যাতে আর কোনও সমস্যা না হয়, সে দিকে নজর দিতেই ব্যস্ত এই মা। হয় তো এভাবেই ফিরে আসা যায়! তাই বলে, রাখে হরি মারে কে.....

```