ফের নৃশংস হত্যা সোপিয়ানে, গলার নলি কেটে তরুণকে খুন করে ফেলে গেল জঙ্গিরা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কখনও সেনা জওয়ান, কখনও পুলিশ কনস্টেবল আবার কখনও গ্রামবাসীদের তুলে নিয়ে গিয়ে নির্বিচারে হত্যালীলা চলছে উপত্যকায়। গত বৃহস্পতিবার এক স্কুল ছাত্রকে তুলে নিয়ে গিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করেছিল জঙ্গিরা। ফের বছর উনিশের এক তরুণের গলা
শেষ আপডেট: 16 November 2018 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কখনও সেনা জওয়ান, কখনও পুলিশ কনস্টেবল আবার কখনও গ্রামবাসীদের তুলে নিয়ে গিয়ে নির্বিচারে হত্যালীলা চলছে উপত্যকায়। গত বৃহস্পতিবার এক স্কুল ছাত্রকে তুলে নিয়ে গিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করেছিল জঙ্গিরা। ফের বছর উনিশের এক তরুণের গলা কাটা দেহ মিলল সোপিয়ানে।
জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের এক আধিকারিকের কথায়, ওই তরুণের নাম হুজেফ কুত্তে। একটি বেকারিতে কাজ করত সে। শনিবার সকালে আশপাশের নানা গ্রাম থেকে জনা পাঁচেক গ্রামবাসীকে অপহরণ করেছিল জঙ্গিরা। সেনা সূত্রে খবর, নিরাপত্তাবাহিনীর চর সন্দেহে ওই গ্রামবাসীদের অপহরণ করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের পর দু'জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
জঙ্গিদের ডেরায় আটক তিনজনের মধ্যে একজন ছিল হুজেফ। আজ বেলার দিকে তার গলা কাটা দেহ মেলে গ্রাম লাগোয়া জঙ্গলের ভিতর। এর আগে সাফানগরি গ্রামের এক কিশোরকে এ ভাবেই তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করা হয়েছিল। ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে দেখা গেছিল, ১৭-১৮ বছর বয়সী এক কিশোরকে হাত পিছমোড়া করে বেঁধে মাটিতে বসিয়ে রাখা হয়েছে। অন্ধকারের কারণে তার মুখ দেখা যাচ্ছে না। সামনে দাঁড়িয়ে থাকা কাওকে চিৎকার করে কিছু বলার চেষ্টা করছে সে। আচমকাই গুলির আওয়াজ, পর মুহূর্তেই ফাঁসিতে ঝুলে পড়ল কিশোরের দেহ। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই তোলপাড় হয়েছিল নেট দুনিয়া।
২০১৭ সালে কাশ্মীরে ৩২ জন পুলিশকর্মীকে খুন করেছিল জঙ্গিরা। এ বছর সেপ্টম্বর পর্যন্ত সংখ্যাটা ৩৭। চাকরি না ছাড়লে পুলিশকর্মীরা একে একে খুন হবেন বলে হুমকিও দেয় জঙ্গিরা। সেনা সূত্রে খবর, এ বার বেছে বেছে গ্রামবাসীদের তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে জঙ্গিরা।
হুজেফের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে টুইট করেছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। তিনি লিখেছেন, "আর একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটল। এ বার তরুণের গলা কেটে খুন করেছে জঙ্গিরা। এমন বর্বরোচিত আচরণের কোনও ক্ষমা নেই আমাদের সমাজে।"