
শেষ আপডেট: 15 October 2018 18:30
নামী শিল্পী নয়, মণ্ডপসজ্জা থেকে প্রতিমার সাজে হাত লাগান স্থানীয়েরাই। কলেজ পড়ুয়া থেকে বর্ষীয়ান প্রতিবেশী, সবার হাতের জাদুতেই মোহময়ী হয়ে ওঠে প্রতিমা। উপচার জোগাড় থেকে পুজোর উদ্যোগ-আয়োজন সবই নিখুঁত। আধুনিকতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে মণ্ডপের আলোকসজ্জাতেও রয়েছে চমক। লাল-নীল-সবুজ নিভু নিভু আলোতে মায়ের মুখ মায়াবী।
ঘি়ঞ্জি এলাকার একটেরে জায়গার পুজো। কিন্তু সাবেকিয়ানার কোনও কমতি নেই। 'ক্যালকাটা ইউথ অ্যাসোসিয়েশন'-এর পথ চলা শুরু ১৯৮৭ সাল থেকে। সমাজ সেবার আদর্শ নিয়েই গড়ে ওঠে এই সংগঠন। যোগ দেন তরুণেরা। প্রায় প্রতিদিনই নানারকম কর্মসূচী থাকে এই সংগঠনের। কখনও রক্তদান শিবির আবার কখনও দুঃস্থদের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ। গরীব ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার খরচ থেকে বইখাতা যোগান দেওয়ার দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন ক্লাবের সদস্যেরা। তা ছাড়া নানা সময় বিনামূল্যে স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজনও করা হয় ক্লাবের তরফ থেকে।
দুর্গাপুজো তো শুধু বাঙালিদের পুজো নয়, এ পুজো সর্বজনীন। দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে এই পুজো বিশ্বজনীনও। শিউলি ফুলের গন্ধে ঐক্যের ডাক। সমাজ বদলের ভাবনা। সবার মুখে হাসি ফোটানোর প্রেরণা। ঝুপড়ি ঘরেই যাঁদের আনন্দ সীমাবন্ধ তাঁদের মুখে এক চিলতে রোদ্দুর আনতেই এই পুজোর আয়োজন। পাশাপাশি, বাংলার অনেক হারিয়ে যাওয়া শিল্পের প্রদর্শনীও করেন পুজো উদ্যোক্তারা। চারদিনের পুজো তাই মনের আবেগে ভরপুর। বাংলার মাটির গন্ধে সজীব।