
শেষ আপডেট: 4 September 2018 18:30
একই রকম ভাবে, দক্ষিণ কলকাতা থেকে যাওয়া গা়ড়িগুলির একাংশ টালিগঞ্জ ও করুণাময়ী সেতু হয়ে হরিদেবপুর দিয়ে বেহালার দিকে যাবে। জেমস লং সরণি এবং রায়বাহাদুর রোড দিয়েও বেহালার দিকে যাওয়া যাবে।
সেতু ভাঙার পর গতকাল সন্ধে থেকেই অ্যাপ ক্যাবগুলির ভাড়াও বাড়ে চড়চড়িয়ে। মেট্রোর ভিড়ে চরম দুর্বিপাকে পড়তে হয় অফিস ফেরত যাত্রীদের। বেহালায় যাতায়াতের একটা বড় অংশ অটো নির্ভর। যাদবপুর থানা, বালিগঞ্জ, রাসবিহারী, গড়িয়াহাট, টালিগঞ্জ ফাঁড়ি হয়ে যে সব অটো তারাতলা হয়ে বেহালা যায় সেগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমনকি তারাতলা রুটেও অটো চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। যানযটের চরম হয়রানি যে কী হতে পারে সেটা বিকেলের পর থেকেই টের পেয়েছেন শহরের মানুষজন। অনেক যাত্রী বলেছেন, ঘুরপথে যাওয়ার জন্য মাঝরাস্তাতেই বাস থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। এক কলেজ ছাত্রীর কথায়, বাদুরঝোলা বাসে উঠতে না পেরে ধর্মতলা থেকে বেহালা যেতে ক্যাব বুক করেছিলেন। তাতে ভাড় চাওয়া হয় প্রায় দ্বিগুণ। উপায় না দেখে হেঁটেই বেহালা ফিরতে হয় তাঁকে।
কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ সূত্রে খবর, গতকাল সন্ধে ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত গার্ডেনরিচ রোড, তারাতলা রোড, হাইড রোড, সাহাপুর রোড, আলিপুর স্টেশন রোড, টালিগঞ্জ সার্কুলার রোড, প্রিন্স আনওয়াল শাহ রোড, এনএসসি বোস রোড, আলিপুর রোড, ডায়মন্ড হারবার রোডে সমস্ত পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। গার্ডেনরিচ রোড থেকে ডায়মন্ড হারবার রোড এবং জাজেস কোর্ট রোডে ট্রাম চলাচলও পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। পরিবহণ দফতর তারাতলা-টালিগঞ্জ মেট্রো এবং বেহালা চৌরাস্তা থেকে আটটি রুটে অতিরিক্ত বাস চালানোর ব্যবস্থা করে। তবে তাতেও ভোগান্তি কমেনি।
পরিস্থিতি সামাল দিতে আজ, বুধবার কযেকটি রুটে অতিরিক্ত বাস চালাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিবহন দফতর।