.webp)
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 29 August 2024 20:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি করে ডাক্তারি ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মাধ্যমে ভাইরাল হয় একটি অডিও। সন্ধেয় এ ব্যাপারে নিজেদের মত জানাল কলকাতা পুলিশ।
এদিন সন্ধেয় এ ব্যাপারে সাংবাদিক বৈঠক থেকে কলকাতা পুলিশের ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় বলেন, কলকাতা পুলিশের তরফে আগেও বারে বারে বলা হয়েছে, পুলিশ কখনও ফোন করে আত্মহত্যার কথা বলেনি। এদিনের ভাইরাল হওয়া অডিও-ও আমাদের সেই বক্তব্যকেই প্রমাণ করেছে।
একই সঙ্গে এদিনের চাদর বিতর্ক নিয়েও বিবৃতি দিয়েছেন কলকাতা পুলিশের ডিসি সেন্ট্রাল। ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় বলেন, "পুলিশের রেকর্ডে চাদরের রঙ নীল লেখা আছে। এখানে সবুজের কোনও উল্লেখ নেই।। ঘটনাস্থল থেকে অনেক কিছু বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তার মধ্যে লাল চাদরও ছিল।"
কলকাতা পুলিশের এদিনের সাংবাদিক বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বস্তুত, ভাইরাল অডিওকে সামনে রেখে পুলিশ যেভাবে নিজেদের বক্তব্যকে ফের স্পষ্ট করতে চেয়েছে, তাতে আরজি করে ডাক্তারি ছাত্রী খুনের ঘটনায় আগামী দিনে আরজি কর কর্তৃপক্ষর বিরুদ্ধে তথ্য চাপা দেওয়ার অভিযোগ আরও জোরাল আকার নিতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, আরজি করে ডাক্তারি ছাত্রী খুনের পরই হাসপাতালে দাঁড়িয়েই নির্যাতিতার বাবা-মা বলেছিলেন, কিছু একটা লুকানোর চেষ্টা হচ্ছে।পরে একাধিকবার তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন, "কাকে আড়াল করা হচ্ছে? কেন, পুলিশি তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই হাসপাতালের তরফে বলা হয়েছিল মেয়ে সুইসাইড করেছে?"
সাংবাদিক বৈঠকে কলকাতা পুলিশের ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়।
এদিনের ভাইরাল অডিও ক্লিপে হাসপাতালের সঙ্গে নির্যাতিতার বাড়ির লোকের কথোপকথন সামনে উঠে এসেছে। যদিও এই ভাইরাল অডিও ক্লিপের সত্যতা দ্য ওয়াল যাচাই করেনি। সেখানে (ভাইরাল অডিও ক্লিপ) শোনা যাচ্ছে, নির্যাতিতার পরিবারকে হাসপাতালের এক মহিলা কন্ঠ বলছেন, ‘‘ওঁর অবস্থা খুবই খারাপ। উনি সুইসাইড করেছেন হয়তো বা মারা গিয়েছেন।’’ ওই মহিলা কণ্ঠ নিজেকে ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার’ হিসেবেও পরিচয় দিয়েছেন।
ভাইরাল অডিও ক্লিপের পাশাপাশি এদিন নির্যাতিতার মা-বাবা অভিযোগ করেন, মৃত্যুর আগে বা পরে মেয়ের শরীরে যে চাদর ছিল, তা পরে বদলে দেওয়া হয়েছে। এক সংবাদমাধ্যমে নির্যাতিতার বাবা দাবি করেছেন, হাসপাতালে যাওয়ার পর তাঁরা যখন মেয়ের দেহ দেখেছিলেন তখন তার গায়ের ওপর সবুজ চাদর ছিল। কিন্তু সংবাদমাধ্যমে যে ছবি আগে দেখানো হয়েছে সেখানে চাদরের রং ছিল নীল। শুধু তাই নয়, ঘটনার আগের দিন রাত্রে মেয়ে লাল চাদর নিয়ে শুয়েছিল এমন খবরও তাঁরা পেয়েছেন বলে দাবি।
এ ব্যাপারেই এবার বিবৃতি দিয়ে নিজেদের বক্তব্য পরিষ্কার করল কলকাতা পুলিশ।