.webp)
এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার।
শেষ আপডেট: 31 August 2024 08:19
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জেড প্লাস নিরাপত্তা তিনি চান না। কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে জানিয়ে দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের প্রবীণ নেতা তথা এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার।
গত সপ্তাহে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নিরাপত্তা উপদেষ্টা কমিটি পাওয়ারকে জেড-প্লাস নিরাপত্তা দেওয়ার পরামর্শ দেয়। সেই মতো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ৮৩ বছর বয়সি এনসিপি সুপ্রিমোকে তাঁর নিরাপত্তা বৃদ্ধির বিষয়টি জানায়। মহারাষ্ট্র সরকারকেও দিল্লি জানায়, এখন থেকে শরদ পাওয়ারের নিরাপত্তার বিষয়টি সরাসরি কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক দেখবে।
পাওয়ার বর্তমানে মহারাষ্ট্র সরকারের ভিভিআইপি নিরাপত্তা পান। রাজ্যের রক্ষীরাই দিল্লি কিংবা অন্য রাজ্যে তাঁকে নিরাপত্তা দিয়ে থাকে। দিল্লির জেড-প্লাস নিরাপত্তায় সংশ্লিষ্ট ভিভিআইপি-র জন্য সিআইএসএফ-এর ৫৯জন কমান্ডো মোতায়েন করা হয়ে থাকে। এছাড়া ভিভিআইপি-র বাড়ি, অফিস সিসি ক্যামেরায় মুড়ে দেয় তারা। ভিভিআইপি-র যাবতীয় কর্মসূচির ভিডিও করা হয়।
এনসিপি সূত্রের খবর, পাওয়ার মনে করছেন মহারাষ্ট্র বিধানসভার আসন্ন নির্বাচনের আগে জেড-প্লাস সিকিউরিটি কেন্দ্রের একটি ফাঁদ। এর উদ্দেশ্য দুটি। এক. সর্বক্ষণ তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর নজরদারি। দুই. তাঁর গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ। নিরাপত্তার ঝুঁকির কথা বলে কোনও এলাকা বা কর্মসূচি এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিতে পারে এজেন্সি। পাওয়ার ঘনিষ্ট মহলে বলেছেন, ভোটের সময় অনেক নেতা, কর্মী একান্তে কথা বলতে চান। তাঁরও প্রয়োজন হবে একান্ত বৈঠকের। তার কোনও কিছুই আর গোপন থাকবে না। তাঁর নিরাপত্তার জন্য অন্যদের গোপনীয়তা ভঙ্গ হবে।
উদ্ধব ঠাকরের এনসিপি এবং কংগ্রেসও মনে করছে, পাওয়ারের নিরাপত্তা বৃদ্ধি দিল্লির একটি ছক। কারণ, মহারাষ্ট্রে বিরোধী শিবিরের কোনও সিদ্ধান্তই পাওয়ারকে বাদ দিয়ে হবে না। ভোটের সময় পাওয়ারের উপর নজরদারি চালানো গেলে গোটা বিরোধী শিবিরের হাঁড়ির খবর পাওয়া সহজ হয়ে যাবে। ঘনিষ্ঠ মহলে পাওয়ার বলেছেন, নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমার সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা করা হয়নি। কেন হঠাৎ নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন সে বিষয়েও কিছু জানানো হয়নি।