
শেষ আপডেট: 29 April 2025 19:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সম্প্রতি রাজ্যপালের ( Governor CV Ananda Bose) বিরুদ্ধে একাধিক বিল (BILL) আটকে রাখার অভিযোগে সরব হয়েছিলেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। গত এপ্রিলে এ ব্যাপারে রাজ্যপালকে 'কর্তব্য'র কথাও মনে করিয়েছিলেন তিনি। পাল্টা হিসেবে সে সময় রাজভবনের তরফেও বিবৃতি দিয়ে রাজ্যের ত্রুটিগুলি চিহ্নিত করা হয়েছিল। এমনকী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিল নিয়ে নিজের আপত্তির কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতিকেও চিঠি পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। ফলে রাজ্য রাজ্যপালের সংঘাত নিয়ে জল্পনা ছিলই।
এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের তিনটি বিলে অনুমতি দিল রাজভবন। এদিন রাজভবনের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, রাজ্যের তিনটি বিলে অনুমোদন দিয়েছেন রাজ্যপাল।
এগুলি হল পশ্চিমবঙ্গ শহর ও নগর (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) (সংশোধন) বিল, ২০২৩, পশ্চিমবঙ্গ ভূমি সংস্কার ও প্রজাস্বত্ব ট্রাইব্যুনাল (সংশোধন) বিল, ২০২২ এবং পশ্চিমবঙ্গ কর ট্রাইব্যুনাল (সংশোধন) বিল, ২০২২। ফলে এগুলি শীঘ্রই আইনে পরিণত হবে।
এর পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় 'পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু কমিশন (সংশোধন) বিল, ২০২৫' উত্থাপনের সুপারিশও করেছেন রাজ্যপাল। যা যথেষ্ট তাৎপর্য়পূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ। যদিও রাজ্যপালের সুপারিশ প্রসঙ্গে রাজ্য বা বিধানসভার স্পিকারের কোনও প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। প্রতিক্রিয়া এলে প্রতিবেদনে আপডেট করা হবে।
বিধানসভায় (Bidhansabha) পাশ হওয়া বিল আটকে রাখার কারণে চলতি বছরের শুরুতে তামিলনাড়ুর রাজ্যপালকে তীব্র ভর্ৎসনা করে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। স্পষ্ট বলা হয়েছে, বিধানসভায় পাশ হওয়া বিল রাজ্যপালদের ঝুলিয়ে রাখা ‘বৈধ’ নয়।
এরপরই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের (CV Ananda Bose) বিরুদ্ধে দিনের পর দিন একাধিক বিল আটকে রাখার অভিযোগে সরব হয়েছিলেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল রাজভবনও।