
শেষ আপডেট: 4 February 2024 12:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম মেদিনীপুর: নিজের সদ্যোজাত শিশুকন্যাকে বিক্রির অভিযোগ উঠল মায়ের বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা চাইছেন, প্রশাসন ঘটনার তদন্ত করুক। যদিও শিশুকন্যার মায়ের দাবি, “বিক্রির অভিযোগ ঠিক নয়। সংসারে অনটন। তাই পরিচিত দাদাকে মানুষ করতে দিয়েছি।”
মেদিনীপুর শহর লাগোয়া ফুলপাহাড়ি এলাকা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মাস কয়েক আগে এই এলাকায় স্ত্রী শিবানীকে নিয়ে ভাড়াবাড়িতে ওঠেন অমরনাথ সিং। অমরনাথ পেশায় দিনমজুর। শিবানী অন্যের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করেন। জানুয়ারির শেষে ওই দম্পতির একটি কন্যা সন্তান হয়। বাড়িতেই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সাহায্যে সন্তান প্রসব করেন শিবানী।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গত ২-৩দিন ধরে বাচ্চাটির কোনও আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে না। খোঁজ নিতে গিয়ে তাঁরা জানতে পারেন, এটি ওই দম্পতির অষ্টম সন্তান। স্থানীয়দের দাবি, অভাবের তাড়নায় সন্তানকে বিক্রি করে দিয়েছেন ওই দম্পতি। অভিযোগকে ঘিরে রবিবার ছুটির দিন এলাকায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায়। প্রশাসনিক তদন্তের দাবি জানান স্থানীয়রা।
যদিও শিশুকন্যার মায়ের দাবি, “বাড়িতে অনটন। তাই বাচ্চাটিকে ঠিকঠাকভাবে মানুষ করতে পারব না বলে আরামবাগের পরিচিত এক দাদার হাতে তুলে দিয়েছি।“
এ ব্যাপারে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডা: সৌম্যশঙ্কর ষড়ঙ্গি বলেন, “অভিযোগটি শুনেছি। এভাবে কেউ নিজের বাচ্চা অন্য কাউকে দিয়ে দিতে পারেন না। এর জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। নির্দিষ্ট আইন রয়েছে। সেই নির্দিষ্ট নিয়ম না মেনে বাচ্চার হাত-বদল হওয়া মানেই ভুল। প্রশাসনকে বলব বিষয়টি খতিয়ে দেখতে।”