শেষ আপডেট: 20 November 2025 14:30
চিকিৎসা করিয়েও কোনও উন্নতি হয়নি। শেষ পর্যন্ত আঁধার নেমে আসে জীবনে। হঠাৎ করে অন্ধকার ঘিরে ধরলেও কৃষ্ণধনবাবু থেমে থাকেননি। কারণ সংসার চালানোর দায়, ছোট সন্তানের ভবিষ্যৎ এসব ভেবে তিনি আবার দোকান খুলে বসেন ঘরেই। চোখে আলো না থাকলেও হাতের স্পর্শেই বুঝে যান সাইকেল, ভ্যান, রিকশার রোগ।
হাতের স্পর্শে অবলীলায় সাইকেল, ভ্যান, রিকশা মেরামত করেন ৬৮ বছরের কৃষ্ণধন সরকার। আসলে জীবনযুদ্ধ যে থেমে থাকার নয়। পাঁচজনের পরিবার। সবার মুখে ভাত তুলে দেওয়ার দায়িত্ব যে এখনও তাঁকে অনেকটাই বহন করতে হয়। নদিয়ার শান্তিপুর থানার বাথানগাছির বাসিন্দা কৃষ্ণধনবাবু। প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে ছোট্ট একটি সাইকেল মেরামতির দোকান দিয়ে তাঁর কর্মজীবনের শুরু। তখন দু-চোখ ঠিকঠাকই ছিল। কিন্তু প্রায় ১৫ বছর আগে চোখের সমস্যা বাড়তে থাকে। চিকিৎসা করিয়েও কোনও উন্নতি হয়নি। শেষ পর্যন্ত আঁধার নেমে আসে জীবনে। হঠাৎ করে অন্ধকার ঘিরে ধরলেও কৃষ্ণধনবাবু থেমে থাকেননি। কারণ সংসার চালানোর দায়, ছোট সন্তানের ভবিষ্যৎ এসব ভেবে তিনি আবার দোকান খুলে বসেন ঘরেই। চোখে আলো না থাকলেও হাতের স্পর্শেই বুঝে যান সাইকেল, ভ্যান, রিকশার রোগ।