
প্রতীকী ছবি: শুভ্র শর্ভিন মুখোপাধ্যায়
শেষ আপডেট: 17 October 2024 10:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চন্দ্রযান-৩-এর সাফল্যের পর, ভারত আবারও চাঁদে যাওয়ার ঘোষণা করেছে। সম্প্রতি ভারত সরকার চন্দ্রযান-৪ মিশনটির অনুমোদন দিয়েছে। তবে পঞ্চম মিশনটিও যে 'মুন' মিশনই হতে চলেছে, তা জানিয়ে দিয়েছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। ইসরোর পঞ্চম মুন মিশন অর্থাৎ লুনার পোলার এক্সপ্লোরেশন মিশন (যা লুপেক্স নামেও পরিচিত) একটি যৌথ মিশন হতে চলেছে।
সঙ্গে রয়েছে জাপান...
জাপানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জাক্সা-এর সহযোগিতায় ইসরো এই মিশনটি সম্পন্ন করবে। লুপেক্স মিশনটি ভারতের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিশন হতে চলেছে, তা বলাই যায়। কারণ এই মিশনে চাঁদে মানুষ পাঠানো হবে। তারপরে গবেষণা চলবে চাঁদের পৃষ্ঠে। ১০০ দিন ধরে খোঁজা হবে বিভিন্ন অজানা তথ্য। অবশেষে গবেষণা শেষ হলে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হবে।
মহাকাশ গবেষণা সংস্থার মতে, এই মিশনের সবচেয়ে কঠিন দিক হল এর সময়সীমা। চাঁদে ১০০ দিন মোটেও পৃথিবীর এক একটা দিনের সমান নয়। ফলে টিকে থাকতে যে অনেক কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হবে, তা এখন থেকেই বলা যাচ্ছে।
ভারতের লুপেক্স মিশন কী? যে ৫টি জিনিস না জানলেই নয়...
১. এটি একটি যৌথ মিশন, ভারত এবং জাপানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো এবং জাক্সা যৌথভাবে এই মিশনটিতে সামিল হয়েছে।
২. এটি চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করবে। চাঁদের পৃষ্ঠে জল এবং মূল্যবান সম্পদ অনুসন্ধান করতে শুরু করা হবে লুপেক্স মিশন। উভয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার মতে, লুপেক্স চাঁদের পৃষ্ঠে জলের পরিমাণ মাপতে পারবে।
৩. মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, এই মিশনটি একটি জাপানি রকেট থেকে উৎক্ষেপণ করা হবে। যদিও ল্যান্ডার সিস্টেম তৈরি করবে ইসরো। রোভারটি তৈরি করবে জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সি (জাক্সা)।
৪. লুপেক্সের রোভার ৩৫০ কেজি পর্যন্ত ওজন করতে পারে। যার ওজন হবে চন্দ্রযান-৩-এর প্রজ্ঞান রোভারের চেয়ে ১৩ গুণ বেশি। চন্দ্রযান-৩ এর অধীনে পাঠানো প্রজ্ঞান রোভারের ওজন ছিল মাত্র ২৬ কেজি।
৫. ইসরোর তৈরি ল্যান্ডার সিস্টেমে উন্নত বৈজ্ঞানিক যন্ত্র থাকবে। যেমন গ্রাউন্ড পেনিট্রেটিং রাডার, মিড-ইনফ্রারেড স্পেকট্রোমিটার এবং রামন স্পেকট্রোমিটার। এছাড়াও, জাপানি সেন্সরগুলিও ইনস্টল করা হবে, যা চাঁদের পৃষ্ঠকে গভীরভাবে গবেষণা করতে সাহায্য করবে।