Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

৩৬০০ কোটি সূর্যের ন্যায় ওজন! মিলল মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্ল্যাকহোলের হদিস

বিজ্ঞানীদের ধারণা, মহাবিশ্বের প্রতিটি গ্যালাক্সির কেন্দ্রে রয়েছে একটি সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোল। বড় গ্যালাক্সির কেন্দ্রের ব্ল্যাকহোল আরও বিশাল হয়। তবে এত বড় আকারের উৎপত্তি নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। 

৩৬০০ কোটি সূর্যের ন্যায় ওজন! মিলল মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্ল্যাকহোলের হদিস

প্রতীকী ছবি

গার্গী দাস

শেষ আপডেট: 9 August 2025 18:10

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৫০০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে, এক বিশালাকার ছায়াপথের কেন্দ্রেই লুকিয়ে ছিল বিশালাকার গহ্বর। ওজন ৩৬০০ কোটি সূর্যের সমান। মহাবিশ্বের ইতিহাসে আবিষ্কৃত সবচেয়ে বড় ব্ল্যাকহোল হতে পারে এটিই, মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

‘কসমিক হর্সশো’ নামে পরিচিত ওই ছায়াপথটির বিশেষত্ব তার ঘোড়াশুঁড়ির মতো আলোর বলয়। ‘গ্র্যাভিটেশনাল লেন্সিং’-এর কারণে এই আকার দেখা যায়। সেখানেই রয়েছে এই বিরাট ব্ল্যাকহোল, যা আকারে আমাদের ছায়াপথ মিল্কিওয়ের কেন্দ্রে থাকা স্যাজিটেরিয়াস এ-এর চেয়ে প্রায় ১০ হাজার গুণ বেশি ভারী। স্যাজিটেরিয়াস এ–এর ওজন ৪১.৫ লক্ষ সূর্যের সমান।

ইংল্যান্ডের পোর্টস্মাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক থমাস কোলেট বলছেন, 'এটি এখনও পর্যন্ত আবিষ্কৃত ভারী ১০টি ব্ল্যাকহোলের মধ্যে অন্যতম, হয়তো সবচেয়ে ভারীও। আমাদের নতুন পদ্ধতির জন্য এটির ওজন নিয়ে আগের তুলনায় অনেক বেশি নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়েছে।'

বিজ্ঞানীরা ‘গ্র্যাভিটেশনাল লেন্সিং’ এবং নক্ষত্রগত গতিবিদ্যা অর্থাৎ গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্রের গতি এবং ব্ল্যাকহোলের চারপাশে তাদের ঘূর্ণনপথ, এই দুই পদ্ধতির সমন্বয়ে হদিস পান ‘কসমিক দৈত্য’-র। তবে ভয় নেই, এটি ‘ডরম্যান্ট’ বা নিস্ক্রিয় ব্ল্যাকহোল ফলে আশপাশের পদার্থ গিলে ফেলছে না। স্যাজিটেরিয়াস এ–ও একইভাবে নিস্ক্রিয়।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, মহাবিশ্বের প্রতিটি গ্যালাক্সির কেন্দ্রে রয়েছে একটি সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোল। বড় গ্যালাক্সির কেন্দ্রের ব্ল্যাকহোল আরও বিশাল হয়। তবে এত বড় আকারের উৎপত্তি নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। কারও মতে, প্রথম দিকে তারাদের পতন থেকে (লাইট সিড) এদের জন্ম, কারও মতে সরাসরি গ্যাস রয়েছে এমন মেঘ ধসে পড়ে (হেভি সিড) এদের উৎপত্তি।

এর আগে, গত নভেম্বর মাসে বিজ্ঞানীরা খুঁজে পান আরেক সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোলের, যা তাত্ত্বিক সীমার চেয়েও ৪০ গুণ দ্রুত পদার্থ গিলে খাচ্ছিল। জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ এবং চান্দ্রা এক্স-রে অবজারভেটরির তথ্য থেকে মিলেছিল সেই সন্ধান।


```