Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরIPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকের

প্রশান্ত মহাসাগরে মিলল বিশ্বের সর্ববৃহৎ প্রবাল, উচ্চতায় ১৬ ফুট, আর চেহারা? নিজেই দেখুন

দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল পাওয়া গিয়েছে। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটির প্রিস্টাইন সিস দল এই প্রবাল আবিষ্কার করেছে।

প্রশান্ত মহাসাগরে মিলল বিশ্বের সর্ববৃহৎ প্রবাল, উচ্চতায় ১৬ ফুট, আর চেহারা? নিজেই দেখুন

ফাইল চিত্র

শেষ আপডেট: 16 November 2024 11:53

দ্য় ওয়াল ব্যুরো: দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল পাওয়া গিয়েছে। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটির প্রিস্টাইন সিস দল এই প্রবাল আবিষ্কার করেছে। প্রবালটি একটি নীল তিমির চেয়েও বড়। আকারে এটি এতটাই বড় যে, মহাকাশ থেকেও দেখা যায়। এত বড় হওয়া সত্ত্বেও এতদিন যে বিজ্ঞানীরা এর খোঁজ পাননি, তা আশ্চর্যের বিষয়। আবিষ্কার করা প্রবালটি ১১২x১০৫ ফুট এবং এটি ৪২ ফুট গভীরে ছিল। উচ্চতা ১৬ ফুট। আবিষ্কারের পর দেখা গিয়েছে প্রবালটি ৩০০ বছর ধরে সেই জায়গায় ছিল। এমনকি তারও বেশি পুরনো বলে অনুমান করছেন বিজ্ঞানীরা।

যে দলটি অভিযান চালিয়েছিল, তার প্রধান বিজ্ঞানী মলি টিমারস জানান, এই প্রবালটিকে আবিষ্কার করার উদ্দেশ্যে অভিযান শুরু করা হয়নি। আসলে জলবায়ু পরিবর্তন কীভাবে প্রশান্ত মহাসাগরকে প্রভাবিত করছে, তা দেখাই এই দলের প্রধান লক্ষ্য ছিল। তখনই রাতের দিকে একজন ভিডিওগ্রাফারের চোখে পড়ে এই বিশাল প্রবাল। প্রথমে কেউই এটিকে তেমন গুরুত্ব দিতে চাননি। পরে গবেষণার মাধ্যমে দেখা যায় যে, প্রাণীটি এক ধরণের শক্ত প্রবাল, যাকে পাভোনা ক্লাভাস বা কাঁধের ব্লেড প্রবাল বলা হয়। এটি প্রধানত বাদামী রঙের হয়। তবে সূর্যের আলো পড়লে হলুদ, লাল, গোলাপী এবং নীল রঙও দেখা যায়।

প্রবালটি দেখতে কেমন?

ফটোগ্রাফার মনু সান ফেলিক্স জানিয়েছেন,।প্রবালটিকে একটি 'আন্ডারওয়াটার ক্যাথেড্রাল'-এর মত দেখতে। তিনি বলেন, 'এতদিন পর্যন্ত স্থানীয় লোকজন এটিকে বড় পাথর বলে মনে করতেন। মহাকাশ থেকে এটিকে কয়েকবার দেখা গিয়েছে। কিন্তু কেউ সেভাবে এটিকে নিয়ে গবেষণা করেননি। অবশেষে দেখা গেল এটি পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল। উষ্ণতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের বহু প্রজাতির প্রবাল ঝুঁকিতে রয়েছে।'

প্রবাল বা মুঙ্গা একটি অত্যন্ত সুন্দর এবং গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক প্রাণী। তারা লক্ষ লক্ষ এবং কোটি সংখ্যার একটি দলে বাস করে এবং নিজেদের চারপাশে খুব শক্ত শঙ্খের মতো কাঠামো তৈরি করে। সেই গঠনকেই প্রবাল বলে।

প্রবালগুলি পলিপ নামক খুব ছোট জীব দ্বারা গঠিত। এই পলিপগুলি তাদের শরীর থেকে ক্যালসিয়াম কার্বনেট নামক একটি পদার্থ নির্গত করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, এই ক্যালসিয়াম কার্বনেট শক্ত হয়ে যায় এবং একটি শক্ত কাঠামো তৈরি করে। যখন একটি পলিপ মারা যায়, তখন তার উপর একটি নতুন পলিপ গজায় এবং এইভাবে প্রবাল প্রাচীর ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে থাকে। লাল, গোলাপী, হলুদ, সবুজ ইত্যাদি অনেক রঙে প্রবাল পাওয়া যায়।


```