Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

এআই টুল চালু হলে বছরে লাখের বেশি কল সেন্টার বন্ধ হয়ে যাবে: টিসিএস কর্তা কৃথিভাসন

বছরে প্রায় এক লাখের বেশি কল সেন্টার বন্ধ হয়ে যেতে পারে। চাকরি খোয়াতে পারেন হাজার হাজার তরণ-তরুণী।

এআই টুল চালু হলে বছরে লাখের বেশি কল সেন্টার বন্ধ হয়ে যাবে: টিসিএস কর্তা কৃথিভাসন

টিসিএস সিইও কে কৃথিভাসন

শেষ আপডেট: 25 April 2024 13:51

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আইটি বাজারে ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরি যেতে পারে এমন কানাঘুষো চলছেই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ সবক্ষেত্রে চালু হয়ে গেলে আর কী কী যে হতে পারে তার একটা আভাস দিলেন টিসিএসের সিইও কে কৃথিভাসন। পরিস্থিতি এমন জায়গায় যেতে পারে যে শুধুমাত্র কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই টুলের (আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স)জন্যই বছরে প্রায় এক লাখের বেশি কল সেন্টার বন্ধ হয়ে যেতে পারে। চাকরি খোয়াতে পারেন হাজার হাজার তরুণ-তরুণী।

কৃথিভাসন বলছেন, আইটি সেক্টরে এআই টুলের প্রয়োগ প্রাথমিকভাবে শুরু হয়েছে। তাতে এখনও পর্যন্ত তেমন কোনও সমস্যা হয়নি। কর্মী ছাঁটাই করার দরকারও পড়েনি। তবে আসন্ন কয়েক বছরে এই পরিস্থিতি নাও থাকতে পারে। কারণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অ্যাপ্লিকেশন যত বেশি উন্নত হবে ততই নতুন নতুন টুল আসবে যা লহমায় নিখুঁত কাজ করতে পারবে। অনেকের কাজ একাই করে দেবে একটি এআই টুল।

টিসিএস কর্তার কথায়, এখন যেমন লাখ লাখ কল সেন্টার রয়েছে, সেখানে প্রচুর ছেলেমেয়েরা চাকরি করছেন। এআই টুল এমনভাবে কাজ করবে যাতে আর কল সেন্টারের দরকারই না হয়। কোনও সংস্থা এআই প্রযুক্তিতেই তার হাজার হাজার গ্রাহকের কল রিসিভ করা, তাদের সমস্যা শোনা ও সমাধান করতে পারবে মুহূর্তের মধ্যে। এমনকী কোন কোন গ্রাহকের কল আসার সম্ভাবনা আছে, তারা কী কী প্রশ্ন করতে পারেন তারও মোটামুটি আভাস দিতে পারবে। সেই অনুযায়ী অ্যালগোরিদম সেট করে রাখা যাবে।

কাস্টমার হেল্প সেন্টারে বিপুল কর্মসংস্থান হয় প্রতি বছর। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এসে গেলে কর্মসংস্থানের এই জায়গাটা ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করবে। তবে যদি প্রযুক্তিকে ভাল কাজে লাগানো যায়, তাহলে সংস্থারও উন্নতি হবে এবং কর্মী ছাঁটাইয়েরও প্রয়োজন হবে না বলেই মনে করছেন তিনি।

সভ্যতার অগ্রগ্রতির সঙ্গে প্রযুক্তিগত উন্নতি ঘটেছে। আর সেই প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে যে বিষয়গুলির চাহিদা বাজারে রীতিমতন বেড়ে গেছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্স তার মধ্যে অন্যতম। বর্তমানে বিশ্বে এমন কোনও ক্ষেত্র নেই, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্য নেওয়া হয় না। স্বাস্থ্যক্ষেত্র, শিক্ষা থেকে শুরু করে ব্যবসা ও অটোমোবাইল পর্যন্ত সমস্ত ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। নানা ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার আমাদের জীবনকেও তাই আগের চেয়ে অনেক সহজ করে তুলেছে।

সহজ ভাবে বললে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আসলে এমন একটি বিষয় যেখানে মানুষের বুদ্ধি দিয়ে যে কাজ গুলি সম্পন্ন করা সম্ভব, সেগুলিই কম্পিউটার বা কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত রোবটের মাধ্যমে করা যায়। মূলত নানা সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন তথ্যভান্ডার ও কম্পিউটার সায়েন্সের সাহায্য নেওয়া হয়। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আর কোনও ক্ষেত্রই বাকি থাকবে না, যেখানে প্রযুক্তিগত এই উন্নতি কাজে লাগবে না। এর জন্যেই এই বিষয়কে পেশা হিসাবে বেছে নিলে এক উজ্বল কেরিয়ার গড়তে পারবেন শিক্ষার্থীরা। তখন প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়েই কর্মসংস্থান হবে। প্রতি কলেজ থেকে আরও বেশি সংখ্যক ছাত্রছাত্রীকে চাকরি দেওয়া যাবে। কোম্পানিও আরও বেশি লাভের মুখ দেখবে।


```