দ্য ওয়াল ব্যুরো : অর্থনীতির টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যে শনিবার দ্বিতীয়বারের জন্য বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন বিনিয়োগ ও চাহিদা বাড়ানোর ওপরে। দেখা যাক, তিনি ঠিক কী পদক্ষেপ নিয়েছেন।
তিনি বলেন, অর্থনীতির মৌলিক দিকগুলি শক্তিশালী আছে। এর কৃতিত্ব প্রয়াত অরুণ জেটলির। তাঁর আমলে জি এস টি চালু হয়েছিল। তাঁর দুরদর্শিতার ফল আমরা পাচ্ছি। যে ইনসপেক্টর রাজকে সকলে ভয় পেতেন, তা নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। এই বাজেটের লক্ষ্য হল 'অ্যাসপিরেশনাল ইন্ডিয়া'।
জিএসটি-র সামনে কয়েকটি চ্যালেঞ্জ আছে। নতুন কিছু চালু করতে গেলে স্বাভাবিক। তার সমাধান করবে জিএসটি কাউন্সিল। গত দু'বছরে নতুন ৬০ লক্ষ মানুষ কর দিয়েছেন। ৪০ কোটি জিএসটি রিটার্ন ফাইল হয়েছে।
ভারত এখন বিশ্বে পঞ্চম বৃহৎ অর্থনীতি।
দেশে ২৮৪০০ কোটি ডলার বিদেশি বিনিয়োগ হয়েছে।
সকলের জীবনযাত্রা সহজতর করে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।
প্রধানমন্ত্রীর 'সবকা সাথ সবকা বিকাশ' নীতি মেনে আমরা সকলেরই উন্নয়ন চাই।
আমরা চাই এমন সমাজ গড়ে তুলতে যা সকলের ভালর জন্য চেষ্টা করবে।
কৃষির উন্নতির জন্য ১৬ পয়েন্ট অ্যাকশন প্ল্যান।
আমাদের সরকার ২০২২ সালের মধ্যে কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করতে চায়।
কৃষিকে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে পারলেই কৃষকদের অবস্থার উন্নতি হবে।
কৃষি পণ্যের বাজারের উদারীকরণ করতে হবে।
দেশের খরাপ্রবণ ১০০ টি জেলার জন্য বিশেষ বন্দোবস্ত।
২০ লক্ষ কৃষক সোলার পাম্প ব্যবহার করতে পারবেন।
পতিত জমিতে সোলার প্ল্যান্ট বসিয়ে কৃষকরা আয় করতে পারবেন।
সবরকম সারই নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে।
কৃষিপণ্যের জন্য আরও গুদাম তৈরি করতে হবে।
চালু হবে 'কৃষি উড়ান'।
কিষাণ রেল সার্ভিস চালু হবে।
জিরো বাজেট ন্যাচরাল ফার্মিং চালু হবে।
কিষাণ ক্রেডিট স্কিম চালু হবে।
মাছের উৎপাদন ২০০ লক্ষ টন বাড়ানোর প্রস্তাব।
ন্যাবার্ড রি ফিনান্স স্কিম চালু হবে।
১২ টি রোগের জন্য মিশন ইন্দ্রধনুষ।
স্বাস্থ্য প্রকল্পের জন্য জল জীবন মিশন।
ফিট ইন্ডিয়া মুভমেন্ট চালু হচ্ছে।
আরও অনেক হাসপাতাল তৈরি হবে।
'টিবি হারেগা, দেশ জিতেগা' ক্যাম্পেন চালু হয়েছে।
স্বচ্ছ ভারত মিশনে ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।
জল জীবন মিশনে ৩.৬০ লক্ষ কোটি টাকা।
নতুন এডুকেশন মিশন চালু হবে শীঘ্র।
স্বাস্থ্য প্রকল্পে ৬৯ হাজার কোটি টাকা।
উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ থেকে অনেকে ভারতে আসছেন।
পুলিশ ইউনিভার্সিটি ও ফরেনসিক সায়েন্স ইউনিভার্সিটি চালুর প্রস্তাব।
১৫০ টি নতুন কোর্স চালু হবে।
মেডিক্যাল কলেজগুলিকে জেলা হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।
দেশে বিপুল সংখ্যক নার্স, প্যারা মেডিক্যাল স্টাফের প্রয়োজন আছে।
শিক্ষায় বরাদ্দ ৯৯ হাজার ৩০০ কোটি।
ভারতে বিদেশি ছাত্রদের পড়াশোনার জন্য 'ইন্ডস্যাট' প্রকল্প।
ইনিভেস্টমেন্ট ক্লিয়ারেন্স সেল চালু হবে।
সংশ্লিষ্ট রাজ্যের সঙ্গে সহযোগিতা করে পাঁচটি নতুন স্মার্ট সিটি।
মোবাইল ফোন নির্মাতাদের উৎসাহ দেওয়া হবে।
ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদনে উৎসাহ দেওয়ার জন্য বিশেষ প্রকল্প।
শীঘ্র চালু হবে জাতীয় টেক টেক্সটাইল মিশন।
প্রতিটি জেলাকেই এক্সপোর্ট হাব বানিয়ে তোলার চেষ্টা হবে।
ন্যাশনাল লজিস্টিক পলিসি চালু হবে শীঘ্র।
২ হাজার কিলোমিটার স্ট্র্যাটেজিক হাইওয়ে চালু হবে।
জল বিকাশ মার্গের কাজ শেষ হবে শীঘ্র।
তেজসের মতো আরও ট্রেন চালু হবে।
সমুদ্র বন্দরগুলিরও উন্নতি করা হবে।
২০২৩ সালের মধ্যে চালু হবে দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়ে।
প্রিপেড ইলেকট্রিক মিটার চালু হবে।
রেলের ফেলে রাখা জমিতে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প।
ন্যাশনাল গ্যাস গ্রিড বাড়ানো হবে।
ডাটা সেন্টার পার্ক তৈরি হবে শীঘ্র।
'ভারত নেট'-এর জন্য ৬ হাজার কোটি।
১ লক্ষ গ্রাম পঞ্চায়েত যুক্ত হবে ভারত নেটের সঙ্গে।
বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও প্রকল্পে ব্যাপক সাড়া মিলেছে।
ওই প্রকল্পে শিশুকন্যারা যথেষ্ট লাভবান হয়েছে।
বেটি স্কিমে রেকর্ড সংখ্যক এনরোলমেন্ট হয়েছে।
মেয়েদের বিয়ের গড় বয়স ১৯৭৮ সালে ছিল ১৫। এখন হয়েছে ১৮।
মহিলাদের জন্য বিভিন্ন প্রকল্পে ২৮ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।
তফসিলীভুক্ত উপজাতিদের জন্য ৫৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।
রাঁচিতে ট্রাইবাল মিউজিয়াম।
লোথারে তৈরি হবে মেরিটাইম মিউজিয়াম।
পর্যটন শিল্পের উন্নতির জন্য ২৫০০ কোটি।
কার্বন ফুটপ্রিন্ট কমানোর উদ্যোগ।
জাতীয় সুরক্ষায় সরকার সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়।
যাঁরা সম্পদ সৃষ্টি করেন, তাঁদের সম্মান করতে হবে।
করের জন্য কাউকে যেন হেনস্থা না হতে হয়।
ন্যাশনাল রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি তৈরি হবে।
উত্তর-পূর্ব ভারতে উন্নয়নের জন্য বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
২০২২ সালে ভারতে হবে জি-২২ বৈঠক।
জম্মু-কাশ্মীরের জন্য ৩০ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ।
লাদাখের জন্য ৫৯৫৮ কোটি টাকা।
ব্যাঙ্কে ডিপোজিট ইনসিওরেন্স ১ লক্ষ থেকে বেড়ে ৫ লক্ষ।
কোম্পানি আইন পরিবর্তন করা হচ্ছে।
অনাবাসীরা কয়েক ধরনের সরকারি সিকিউরিটিতে বিনিয়োগ করতে পারবেন।
এলআইসি-র আংশিক বেসরকারিকরণ করা হবে।
নতুন সরলীকৃত কর।
বছরে ৫ লক্ষ থেকে ৭.৫ লক্ষ বছরে আয় হলে ১০ শতাংশ কর/
৭.৫ থেকে ১০ লক্ষের মধ্যে আয় হলে কর ১৫ শতাংশ।
১০ থেকে ১২.৫ লক্ষ আয় হলে ২০ শতাংশ।
১২.৫ থেকে ১৫ লক্ষ আয় হলে ২৫ শতাংশ।
১৫ লক্ষের বেশি আয় হলে ৩০ শতাংশ কর।
পাঁচ লক্ষ পর্যন্ত যাঁদের আয়, তাঁদের কর দিতে হবে না।
কোম্পানিগুলিকে ডিভিডেন্ড ট্যাক্স দিতে হবে না।
স্টার্ট আপ সংস্থাগুলিকে উৎসাহ দেওয়া হবে।