দুর্গম এলাকায় বাস। ক্রান্তির ধওলাবাড়ি থেকে অসুস্থ মাকে হাসপাতালে পৌঁছে দিতে পারেননি। তাঁর চোখের সামনে বাড়িতেই মৃত্যু হয়েছিল মায়ের। মৃতদেহের সামনে বসে শপথ নিয়েছিলেন গ্রামেৱ আর কাউকে এ ভাবে বিনা চিকিৎসায় মরতে দেবেন না। এরপরেই একটি মোটরবাইক কিনে সেটিকে অ্যাম্বুল্যান্স হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করেন জলপাইগুড়ির করিমুল হক। এলাকায় পরিচিত হয়ে যান অ্যাম্বুল্যান্স দাদা নামে। কাজের স্বীকৃতিতে পান পদ্মশ্রী পুরষ্কারও। তাঁর জীবন নিয়ে ছবি তৈরি হচ্ছে বলিউডে। সেই অ্যাম্বুল্যান্স দাদার বাড়িতে বৃহস্পতিবার এসেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বিশেষ দল। দেশের দুর্গম এলাকায় কর্মরত সেনা কর্মীদের প্রয়োজনে এমন মোটরবাইক অ্যাম্বুল্যান্স ব্যবহার করা কিনা সেটা খতিয়ে দেখতেই এসেছেন এই প্রতিনিধি দল। করিমুলের সঙ্গে জেলার বিভিন্ন জায়গাতেও যান তাঁরা।