
ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 20 March 2025 17:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যুজবেন্দ্র চাহাল ও ধনশ্রী বর্মার বিবাহবিচ্ছেদে বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দিল মুম্বইয়ের পারিবারিক আদালত। চাহালের আইনজীবী নিতিন কুমার গুপ্ত বিকেলে বিষয়টি জানান। আজ থেকে তাঁরা আর স্বামী-স্ত্রী নন।
২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে দম্পতির বিয়ে হয়। ২০২২ সালের জুন থেকে তাঁরা আলাদা রয়েছেন। এ বছর ফেব্রুয়ারিতে বান্দ্রা পারিবারিক আদালতে যৌথভাবে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন জমা দেওয়া হয়। সেসময় আলাদা থাকার বিষয়টি উল্লেখ করেন তাঁরা। আবেদনপত্রের সঙ্গে বিশেষ আর্জি হিসেবে জানানো হয়, এক্ষেত্রে কুলিং-অফ পিরিয়ড যেন না থাকে।
কিন্তু হিন্দু বিবাহ আইন, ১৯৫৫-এর ধারা ১৩বি (২) অনুসারে, ডিভোর্সের আগে কুলিং-অফ পিরিয়ড বাধ্যতামূলক। দম্পতিকে পুনর্মিলনের সম্ভাবনা বিবেচনা করার সুযোগ দেওয়াই এর উদ্দেশ্য। তাই মুম্বইয়ের পারিবারিক আদালত কুলিং অফ পিরিয়ডে থাকতে বলেন। এই রায় চ্যালেঞ্জ করে দম্পতি হাইকোর্টের দ্বারস্থ দেন।
চাহাল ও ধনশ্রী দীর্ঘ দু’বছরেরও বেশি সময় ধরে আলাদা থাকায়, বম্বে হাইকোর্ট মনে করেছে, এক্ষেত্রে কুলিং অফ পিরিয়ড আর আবশ্যক নয়। আইপিএল-এর আগে দ্রুত বিচ্ছেদের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। ২১ মার্চের মধ্যে তাঁদের বিচ্ছেদের আবেদন মঞ্জুর করতে বলা হয়।
সেই নির্দেশের পরই আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার মামলাটি শোনে মুম্বইয়ের পারিবারিক আদালত। বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়।
ভরণপোষণ হিসেবে ৪.৭৫ কোটি টাকা ধনশ্রীকে দিতে হবে চাহালকে। যার মধ্যে ২.৩৭ কোটি তিনি ইতিমধ্যেই দিয়ে দিয়েছেন। বাকিটা বিবাহবিচ্ছেদের পর দেবেন চুক্তি অনুযায়ী।