বিশ্বকাপের আগেই সরতে পারত বিরাট, তবে ওয়ান ডে নেতৃত্বও চাইবে রোহিত
অশোক মালহোত্রা
কেউ যদি ভাবেন বিরাট কোহলি (Virat Kohli) টোয়েন্টি ২০ নেতৃত্ব থেকে স্বেচ্ছায় সরল, তা কিন্তু নয়। কারণ টি ২০ (Twenty 20) এবং ওয়ান ডে (One day) ক্রিকেটে ওর অধিনায়কত্বে দল ভাল করেনি, আইসিসি (ICC) ট্রফি জিততে পারেনি দীর্ঘদিন,
শেষ আপডেট: 17 September 2021 14:01
অশোক মালহোত্রা
কেউ যদি ভাবেন বিরাট কোহলি (Virat Kohli) টোয়েন্টি ২০ নেতৃত্ব থেকে স্বেচ্ছায় সরল, তা কিন্তু নয়। কারণ টি ২০ (Twenty 20) এবং ওয়ান ডে (One day) ক্রিকেটে ওর অধিনায়কত্বে দল ভাল করেনি, আইসিসি (ICC) ট্রফি জিততে পারেনি দীর্ঘদিন, এই চাপগুলি ওর ওপর ছিল। হয়তো বোর্ডই (BCCI) ওকে সরিয়ে দিতে পারত। সেটি বুঝতে পেরে নিজেই সরে গিয়েছে।
বিরাটের কাছে এ ছাড়া কোনও উপায় ছিল না। ওকে সরতেই হতো, তবে আমি বলব, কোহলির টোয়েন্টি ২০ বিশ্বকাপের আগেই সরে যাওয়া উচিত ছিল। এবার যদি ভারত টি ২০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়, তা হলে তো বলা হবে কোহলিই নেতা থাকলে ভাল হতো।
সেক্ষেত্রে রোহিত শর্মা যদি অধিনায়কও হয়, তা হলে ওর ওপর একটা চাপ থাকবে। আমি মনে করি, কোহলি আগে সরে গেলে রোহিত কাজটি আরও দারুণভাবে করতে পারত।
রোহিতই যোগ্য দলনায়ক হতে পারে। যদিও শুধুমাত্র টোয়েন্টি ২০ দলের নেতৃত্ব নয়, ওয়ান ডে ক্রিকেটেও দলনায়ক হতে চাইবে রোহিত। সেইভাবে নির্বাচকদের বলতে পারে ও। অতীতের পারফরম্যান্স দেখলে রোহিত দুটি ছোট ফরম্যাটের ক্রিকেটে দারুণ কার্যকরি অধিনায়ক। আমি তো বলব, রোহিতকে আরও আগেই দায়িত্ব দেওয়া উচিত ছিল।
আরও পড়ুন: ইস্টবেঙ্গলে পঞ্চম বিদেশী, যোগ দিলেন ডাচ মিডফিল্ডার ডারেন সিডল
কোহলির ওপর যে বোর্ড কর্তারা তেমন সদয় নয়, সেটি আকারে ইঙ্গিতে তাকে বুঝিয়েও দিয়েছে। কেননা কোহলির সামনেই টি ২০ চারবছর পরে অশ্বিনকে ফেরানো হল, সেইসময়ই তো বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, তোমার মতের দাম নেই। অন্য কোনও অধিনায়কের ওপর তাদের ভরসা রয়েছে।
অশ্বিনের সঙ্গে কোহলির সম্পর্ক যেমন ভাল নয়। তেমনি শুনছি রোহিত টি ২০ এবং ওয়ান ডে-তে অধিনায়ক হোক, সেটি চান না কোহলি। সেই নিয়ে আমি কিছু বলব না। কিন্তু আমার ব্যক্তিগত ধারণা, কোহলি ওয়ান ডে অধিনায়কত্ব থেকেও সরে যেতে পারত। তাতে আরও চাপমুক্ত হয়ে পারফরম্যান্স করতে পারত।
কোহলিই আমাদের দলের একনম্বর ব্যাটসম্যান। তিনি বহুদিন ধরেই ছন্দে নেই। এবার হয়তো তরতাজা কোহলিকে আমরা পেতে পারি। তাতে দলের লাভ হবে, এটাই সবচেয়ে বড় কথা।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'