চেয়ারে দড়ি বাঁধা অবস্থায় কোহলি, কে এমন হাল করল ভারত অধিনায়কের?
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিরাট কোহলির (Virat Kohli) অবস্থা ভাল নয়। তাঁর দল আগেই আইপিএল (IPL) ছিটকে গিয়েছে, খেতাবের আশা শেষ। তারপর টি ২০ বিশ্বকাপের পরে দলের নেতৃত্ব ছেড়ে দেবেন।
তারপর দু’দিন আগে কোহলি নিজেই একটি ছবি পোস্ট করেছেন সোশ্যাল সাইটে। তাত
শেষ আপডেট: 15 October 2021 14:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিরাট কোহলির (Virat Kohli) অবস্থা ভাল নয়। তাঁর দল আগেই আইপিএল (IPL) ছিটকে গিয়েছে, খেতাবের আশা শেষ। তারপর টি ২০ বিশ্বকাপের পরে দলের নেতৃত্ব ছেড়ে দেবেন।
তারপর দু’দিন আগে কোহলি নিজেই একটি ছবি পোস্ট করেছেন সোশ্যাল সাইটে। তাতে দেখা গিয়েছে, চেয়ারে দড়ি বাধা অবস্থায় তিনি রয়েছেন। সবাই প্রশ্ন তুলেছে, কী এমন করলেন বিরাট, তাঁকে এমন বেঁধে রাখা হয়েছে?
আরও পড়ুন: দশমীর স্বপ্নের ফাইনালে পরে ব্যাটিং করবে কেকেআর, দলে নেই রাসেল
চোখে মুখে ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট, কোহলি জৈব বলয়ের মধ্যে ক্রিকেটারদের জীবনটা ঠিক কেমন, তা তুলে ধরেছেন। নিজের পোস্টের ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘‘জৈব বলয়ের মধ্যে খেলার অনুভূতি অনেকটা এরকমই।’’
https://twitter.com/imVkohli/status/1448898761250381824
করোনাকালে ক্রিকেট নিজের গতিতে এগোচ্ছে এবং খেলাও চলছে একের পর এক। তবে কঠোর নিয়মের বেড়াজালে বিধ্বস্ত একের পর এক ক্রিকেটার মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন। ঠিক এই কারণেই প্যাট কামিন্স আইপিএলের দ্বিতীয় ভাগে খেলতে আসেননি। ডেভিড ওয়ার্নাররা ওয়েস্ট ইন্ডিজ, বাংলাদেশ সফরে যাননি, আবার ইংল্যান্ড দলও অ্যাসেজ খেলতে ইতস্তত বোধ করছে।
বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বারবার বায়োবাবলের মধ্যে থেকে ভাল পারফরম্যান্স সম্ভব নয়, জানিয়ে এসেছেন। এও বলেছেন, এতে করে মানসিক চাপে থাকেন ক্রিকেটাররা। কোহলির এই পোস্ট সেই কথাই প্রমাণ করল।
করোনার সময়ে মাঠে ক্রিকেট ফিরলেও নানা বিধিনিষেধ মেনে চলছেন ক্রিকেটারদের। ভ্যাকসিন নেওয়া থেকে কোয়ারেন্টাইনে থাকা, বায়ো-বাবলের বাইরে না যাওয়া ইত্যাদি নানা নিয়ম মেনে চলতে হয়।
মারণ ভাইরাসের জন্য বাইশ গজের একাধিক নিয়মও বদলেছে। যেমন বলে থুতু কিংবা ঘাম লাগানো যাবে না। সবমিলিয়ে নানা নিষেধাজ্ঞা রয়েছে ক্রিকেটে। সেটাই তুলে ধরেছেন বিরাট। এর আগে ভারতীয় পেসার মহম্মদ শামির মুখেও এই নিয়ে সমস্যার কথা শোনা গিয়েছিল। বেড়ালের গলায় ঘন্টা কেউ বাঁধেনি, তাতেও এগিয়ে আসতে হল কোহলিকে।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'