
অন্য শহর থেকে তুলে আনার পিচই ভরসা নিউইয়র্ক মাঠের।
শেষ আপডেট: 1 May 2024 20:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রযুক্তিতে সবই সম্ভব। টি ২০ বিশ্বকাপের দামামা বেজে গিয়েছে। নিউইয়র্কের দশটি মাঠকে ঢেলে সাজানোর পালা চলছে। সব থেকে বড় বিষয়, সারা মাঠে বাইশগজের স্থান ফাঁকা রয়েছে, সেটি প্রথমে দেখলেও অবাক হতে হয়।
পিচ হল একটা ক্রিকেট মাঠের গুরত্বপূর্ণ অংশ। সেই স্থানটিকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে অন্য শহর থেকে পিচ বহন করে এনে। ফ্লোরিডা থেকে মোট ১০টি ড্রপ-ইন পিচকে মোট ২০টি সেটি ট্রেইলার ট্রাকে করে আনা হয়েছে নিউ ইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি স্টেডিয়ামে। এই খবর জানিয়ে বিবৃতি পেশ করেছে আইসিসি।
মূলত নাসাউ কাউন্টি স্টেডিয়ামের জন্য ফ্লোরিডায় ড্রপ-ইন পিচ তৈরির কাজ শুরু হয় গত ডিসেম্বরের শেষ থেকে। অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড ওভালে যে পদ্ধতি অনুসরণ করে পিচ তৈরি করা হয়, সেই একই পদ্ধতি মেনে এই বাইশগজ তৈরি করা হয়েছে। দেখভালে রয়েছেন অ্যাডিলেডের প্রধান কিউরেটর ডামিয়ান হাফ।
হাফ জানিয়েছেন, ফ্লোরিডা থেকে পিচগুলো বহন করে আনতে কোনও সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়নি তাদেরকে। সবগুলোই সুন্দরভাবে ডেলিভারি করা গেছে নাসাউ কাউন্টি স্টেডিয়ামে। এই মাঠে হবে বিশ্বকাপের মোা ৮টি ম্যাচ। এই মাঠে খেলা দেখতে পারবেন মোট ৩৪ হাজার দর্শক। দর্শক ধারণক্ষমতা ৩৪ হাজার।
আইসিসি এদিন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘‘তাহোমা ৩১ বারমুডা ঘাস দিয়ে তৈরি হয়েছে পিচ। অ্যাডিলেডের পাশাপাশি আমেরিকার একটি সংস্থাও সাহায্য করেছে। গত তিন মাস ধরে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে। এমনকী খেলা হয়েছে প্র্যাকটিস ম্যাচও।’’ প্রসঙ্গত, নাসাউ স্টেডিয়ামে মোট চারটি এমন বহন করা পিচ রাখা রয়েছে। বাকি ছয়টি পিচ পাঠানো হয়েছে পাশের দুটি মাঠে। ওই মাঠে দলগুলি প্র্যাকটিস সারবে।
আইসিসি-র ইভেন্ট কমিটির প্রধান ক্রিস টেটলি বলেছেন, ‘‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এমন আগে দেখা যায়নি। আমরা নিখুঁত পরিকল্পনা ও দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে এগিয়েছি। এই মাঠে মোট ৮টি ম্যাচের জন্য পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি সারা হয়েছে।’’