দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতীয় ফুটবলে এমন বিরল সম্মান কেউ পাননি। এমনকি বাইচুং ভুটিয়াও (Baichung Bhutia) নন। তিনি দেশের ফুটবলকে একটা আলাদা উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন। যখন সবাই ব্যর্থ হন, সেইসময় কাজ শুরু করেন সুনীল ছেত্রী (Sunil Chhetri)। তিনি ভারতীয় ফুটবলের লিওনেল মেসি (Lionel Messi)।
সুনীল প্রমাণ করেছেন বয়স একটা সংখ্যাই, হাঁটুর বয়সী ছেলেদের সঙ্গে দিব্বি খেলছেন, গোল করছেন, ম্যাচ জেতাচ্ছেন, এগুলিই বাকি প্রজন্মকে উৎসাহিত করে। শনিবার মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কারে সম্মানিত হওয়ার পর থেকেই শুভেচ্ছাবার্তায় ভাসছেন।
ক্রীড়াক্ষেত্রে দেশের সর্বোচ্চ সম্মানের পরে তিনি নিজেও উচ্ছ্বসিত। তাও নীরজ চোপড়ার মতো অলিম্পিকে সোনাজয়ী, মিতালি রাজের মতো কিংবদন্তিদের পাশেও তিনি একন মহাতারকা।
এদিন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের হাত থেকে পুরস্কার ও মানপত্র নিয়েছেন টোকিও অলিম্পিকে পদকজয়ী কুস্তিগীর রবি কুমার দাহিয়া, বক্সার লভলিনা , হকি দলের অধিনায়ক মনপ্রীত সিংহ, পুরুষ হকি দলের গোলকিপার পি আর শ্রীজেশ, প্যারা অ্য়াথলিট অবনী লেখারা, প্যারা অ্যাথলিট সুমিত আন্টিল, প্যারা অ্যাথলিট প্রমোদ ভগৎ, প্যারা অ্যাথলিট কৃষ্ণা নাগর, ক্রিকেটার মিতালি রাজ এবং সোনাজয়ী নীরজ চোপড়া।
https://twitter.com/BluePilgrims/status/1459559182793801728
সুনীল বলেছেন, ‘‘খেলরত্ন পুরস্কার পাওয়ার অন্যতম প্রাথমিক কারণ, আমি ১৯ বছর ধরে খেলে চলেছি। আমার দলের ফিজিও, সার্জেন, ম্যাসিওর সকলের অবদান রয়েছে আমার এই সম্মানের ক্ষেত্রে। যখন ভেবেছি আমি আর পারব না, ওঁরা আমাকে সাহস দিয়েছেন, আমাকে আবার মাঠে নামিয়েছেন সুস্থ করেই।’’
ভারতীয় ফুটবলের রোলমডেল জানান, ‘‘আমি সব ক্লাব, সতীর্থদেরও ধন্যবাদ জানাতে চাই। ক্লাব, জাতীয় দল, ফ্যান ও পরিবার-সকলকে। এতগুলো বছর আপনার আমার সঙ্গে কষ্ট পেয়েছেন। আমার সঙ্গেই আনন্দ করেছেন, প্রত্যেকবার উত্থান-পতনের সঙ্গে আমার সঙ্গে থেকেছেন। আপনারা আমার সঙ্গে স্বপ্ন দেখেছেন। আমি এই সম্মান সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছি।’’
সুনীল এর আগে অর্জুন ও পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। তিনি দেশের হয়ে মোট গোল করেছেন ৮০টি, মেসির সঙ্গে তিনি যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো রয়েছেন ১১৫টি গোলে।