দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত বছর গালওয়ান ভ্যালিতে ভারতীয় ও চিনা সেনার মধ্যে সংঘর্ষের পরে প্রবল চিন বিরোধী আন্দোলনের মধ্যে চাপে পড়ে আইপিএলের স্পনসর থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল চিনা মোবাইল কোম্পানি ভিভো। তখনই বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, শিগগির ফের ভিভো স্পনসর হিসেবে ফিরে আসতে পারে। সেটাই হল। ২০২১ সালের আইপিএলে ফের স্পনসর হিসেবে দেখা গেল ভিভোর নাম।
এদিন নিলাম শুরু হওয়ার আগেই আইপিএলের চেয়ারম্যান বৃজেশ পটেল জানিয়ে দেন, ২০২১ আইপিএলের স্পনসর হতে চলেছে ভিভো। এক বিবৃতিতে বিসিসিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, বিসিসিআই ও ভিভো আইপিএল নিজেদের পার্টনারশিপ বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মাঝে এক বছর পারস্পরিক আলোচনা করেই তারা সরে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু ফের তারা স্পনসর হিসেবে ফিরছে।
কিন্তু কেন এভাবে তড়িঘড়ি ফিরিয়ে আনা হল ভিভোকে?
২০১৭ সালে ভিভোর সঙ্গে ৫ বছরের চুক্তি করেছিল বিসিসিআই। প্রতি বছর ৪৪০ কোটি টাকা করে মোট ২২০০ কোটি টাকার চুক্তি রয়েছে ভিভোর সঙ্গে। তাই যদি ভিভো সরে দাঁড়াত তাহলে শুধু এক বছর নয়, তিন বছর অর্থাৎ ১৩২০ কোটি টাকা লোকসান হত বিসিসিআইয়ের। সেটা চাইছে না বোর্ড।
ভিভো সরে যাওয়ার সময় বিসিসিআইয়ের এক কর্তা বলেছিলেন, আপাতত এবছর অন্য স্পনসর নেওয়ার চিন্তা ভাবনা রয়েছে। আগামী বছর পরিস্থিতি দেখা হবে। এখনকার মতো চিনা কোম্পানির বিরোধিতা তখন নাও থাকতে পারে। তখন ফের ভিভোকে আনা হতে পারে। সেক্ষেত্রে চুক্তি বাড়িয়ে ২০২৩ সাল পর্যন্ত করা হতে পারে। তাহলে চুক্তির পুরো টাকাই পাবে বিসিসিআই। সেই ভাবনা থেকেই হয়তো ফের ফিরিয়ে আনা হল ভিভোকে।
শুধু তাই নয়, বোর্ড ছাড়াও কিছু ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গেও চুক্তি রয়েছে ভিভোর। ফলে তাদের ফিরিয়ে না নিলে সেই সব ফ্র্যাঞ্চাইজি চাপ বাড়াতে পারত বোর্ডের উপর। এটাই চাইছে না বোর্ড।