দ্য ওয়াল ব্যুরো: কৃষক আন্দোলনের আঁচ টের পাওয়া গেল চেন্নাইতে ভারতীয় ড্রেসিংরুমেও। সারা দেশে এই মুহূর্তে বার্নিং ইস্যু কৃষক আন্দোলন। এই নিয়ে মুখ খুলেছেন শচীন থেকে লতা মঙ্গেশকর পর্যন্ত। এবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট ম্যাচের আগে ভার্চুয়াল প্রেস কনফারেন্সে ভারত অধিনায়ক জানিয়েছেন, ‘‘কৃষক আন্দোলনের বিষয়ে আমাদের টিম মিটিংয়ের মধ্যে এই নিয়ে অল্প আলোচনা হয়েছে। দলের ক্রিকেটাররা নিজেদের মতো করে বক্তব্য রেখেছে।’’
কী আলোচনা হয়েছে, সেই নিয়ে বিশদে মুখ না খুললেও বোঝাই যাচ্ছে দেশের ক্রিকেটাররাও এই ব্যাপারে ঐক্যবদ্ধ। সব থেকে বড় বিষয় হল, দেশের অন্য অ্যাথলিটরা যখন অনেকদিন আগে থেকেই কৃষকদের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন। তারপর অনেকদিন পরে এই নিয়ে সরব হলেন বর্তমান ও প্রাক্তন ক্রিকেটাররা।
সদ্যই কৃষকদের আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়ে ভারতের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিশ্বখ্যাত পপস্টার রিহানা, সমাজকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ থেকে প্রাক্তন পর্নস্টার মিয়া খালিফাও।
https://twitter.com/imVkohli/status/1357016154108166144
নিজেদের দাবি নিয়ে বেশ কিছুদিন হল আন্দোলনে নেমেছেন পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশের চাষীরা। কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়ে গতকালই রাতে টুইট করেছিলেন কোহলি। বিরাট লিখেছিলেন, ‘‘এই কঠিন সময়ে আমাদের প্রত্যেককে পাশে থাকতে হবে। কৃষকরা দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমি নিশ্চিত, কোনও না কোনও সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসবেই। শান্তিতে আবার একসঙ্গে এগিয়ে যেতে পারব।’’
টুইটারে কৃষক বিক্ষোভের প্রচার শুরু করেছেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই এর পালটা শচীন তেন্ডুলকার থেকে শুরু করে অজিঙ্ক্যা রাহানে, রবি শাস্ত্রী, অক্ষয় কুমার, লতা মঙ্গেশকর, সুনীল শেট্টি, করণ জোহরদের মতো সেলেবরা ভারতের সংহতির কথা বলেছেন।
বিদেশমন্ত্রকের সঙ্গে সুর মিলিয়ে ভারতের বিভিন্নজগতের তারকারাও বলছেন, রিহানা-থুনবার্গদের মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক। সাংবাদিক সম্মেলনে এসেও এই প্রশ্নের সামনে পড়তে হয় কোহলিকে। তিনি জানান, এই নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু কৃষি আইনের বিরোধিতা নিয়ে যখন কৃষকরা গত দুই মাস ধরে আন্দোলন করে চলেছেন, আচমকা দেশের ক্রিকেটাররা কেন সরব হলেন, সেই নিয়েও সমানভাবে প্রশ্ন উঠছে।