দ্য ওয়াল ব্যুরোঃ চলতি আইপিএলে ২০০-র বেশি রান তাড়া করা যে অসম্ভব তা কখনওই মনে হচ্ছে না। কিন্তু সেটা তখনই সম্ভব যখন রান তাড়া করা দলের শুরুটা ভাল হয়। তার সঙ্গে অন্তত ২ থেকে ৩ জন ব্যাটসম্যান রানের মধ্যে থাকেন। কিন্তু সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে পাঞ্জাবের হয়ে একাই লড়লেন নিকোলাস পুরান। আর একজনও তাঁর পাশে দাঁড়াতে পারলেন না। তার ফলে যা হওয়ার তাই হল। ৬৯ রানের বিশাল ব্যবধানে জল পেল হায়দরাবাদ। অন্যদিকে মাত্র এক ম্যাচে জয় নিয়ে লিগ টেবিলের শেষে থাকল কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব।
হায়দরাবাদের মূল শক্তি তাদের বোলিং। আর সেটা জানেন বলেই প্রথমে ব্যাট করে তারপর তা ডিফেন্ড করার চেষ্টা করেন ডেভিড ওয়ার্নার। এদিনও তাই হল। তবে এদিন ব্যাট হাতেও কামাল করলেন দুই ওপেনার। ওয়ার্নারের পাশে দাঁড়িয়ে বিধ্বংসী ক্রিকেট খেললেন ইংল্যান্ডের জনি বেয়ারস্ট। মাত্র ৩ রানের জন্য সেঞ্চুরি ফসকালেন। তাঁর ৫৫ বলে ৯৭ ও ওয়ার্নারের ৪০ বলে ৫২ রানের সুবাদে দুরন্ত শুরু হয় অরেঞ্জ ব্রিগেডের।
দেখে মনে হচ্ছিল ২২৫-২৩০ রান হবে। কিন্তু শেষদিকে পরপর কয়েকটা উইকেট পড়ে যাওয়ায় রানের গতি অনেকটা কমে গেল। ফলে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ২০১ রানেই শেষ হয় হায়দরাবাদের ইনিংস। পাঞ্জাবের হয়ে রবি বিষ্ণোই ৩ ও অর্শদীপ সিং ২ উইকেট নেন।
এই রান তাড়া করতে হলে লোকেশ রাহুল ও মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে শুরুটা ভাল করতে হত। কিন্তু দু’জনেই ব্যর্থ। এদিনও খেলানো হল ম্যাক্সওয়েলকে। যথারীতি তিনি ফের রান পেলেন না। একমাত্র পুরান ৩৭ বলে ৭৭ রানের ইনিংস খেললেন। কিন্তু সঙ্গে কাউকে পেলেন না তিনি। বাধ্য হয়ে বড় শট খেলতে গিয়ে আউট হলেন। সঙ্গে এক বা দু’জনকে পেলে হয়তো খেলার ছবিটা বদলে যেত।
বল হাতে ফের হায়দরাবাদের হিরো আফগান তারকা রশিদ খান। চার ওভারে ১২ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিলেন তিনি। দুটি করে উইকেট পেলেন খলিল আহমেদ ও নটরাজনও।
এদিনের হারে ফের একবার প্রশ্ন তুলে দিল পাঞ্জাবের ম্যানেজমেন্টের উপর। নেটে বিশাল বিশাল ছক্কা হাঁকানোর পরেও কেন ড্রেসিং রুমেই বসে থাকছেন ক্রিস্টোফার হেনরি গেইল?
সংক্ষিপ্ত স্কোর- সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ২০১/৬। বেয়ারস্ট ৯৭, ওয়ার্নার ৫২, বিষ্ণোই ২৯/৩। কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব ১৩২/১০। পুরান ৭৭, রশিদ খান ১২/৩, খলিল ২৪/২, নটরাজন ২৪/২। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ৬৯ রানে জয়ী।