দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবারই নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের তরফে জানানো হয়েছিল পাকিস্তান ক্রিকেট দলের ছয় সদস্য করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া কোভিড প্রোটোকল ভাঙার অভিযোগও ওঠে কিছু ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে। নিউজিল্যান্ডের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয় চারটি প্রোটোকলের মধ্যে তিনটি ভেঙে ফেলেছে তারা। আর একটা প্রোটোকল ভাঙলেই গোটা টিমকে দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হবে। দলকে বার্তাও দেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সিইও ওয়াসিম খান। কিন্তু তার পরের দিনই জানা গেল দলের আরও এক ক্রিকেটার আক্রান্ত হয়েছেন করোনাভাইরাসে।
নিউজিল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, “পাকিস্তান ক্রিকেট স্কোয়াডের আরও এক সদস্য করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তৃতীয় দিনের নমুনা পরীক্ষার পরে বাকিদের রিপোর্ট অবশ্য নেগেটিভ এসেছে।”
কিউয়িদের দেশে সফরে এসেছে ৫৩ সদস্যের পাকিস্তান দল। ক্রাইস্টচার্চে আইসোলেশনে রয়েছেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, আগামী সোমবার ফের একবার নমুনা পরীক্ষা করা হবে তাঁদের। এই সময়ের মধ্যে ঘরের বাইরে বের হতে পারবেন না তাঁরা। সেদিনও যদি কারও রিপোর্ট পজিটিভ আসে তাহলে সমস্যা হতে পারে সিরিজে। হয়তো শুরুর আগেই ভেস্তে যেতে পারে সিরিজ। দেশে ফিরিয়ে দেওয়া হতে পারে গোটা পাকিস্তান দলকেই।
শুক্রবারই দলকে এক বার্তায় পিসিবির সিইও ওয়াসিম খান জানিয়েছেন, “আমি নিউজিল্যান্ড সরকারের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা আমাকে জানিয়েছে চারটি প্রোটোকলের মধ্যে তিনটি ভাঙা হয়েছে। ওরা জানিয়েছে ওরা জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাস করে। ওরা আমাদের ফাইনাল ওয়ার্নিং দিয়েছে। আমরা বুঝতে পারছি এটা তোমাদের জন্য খুব কঠিন সময়। কিন্তু তোমরা ইংল্যান্ডেও এই ধরনের সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছ।”
পিসিবির সিইও আরও বলেন, “এটা সহজ নয়। কিন্তু এটা দেশের সম্মানের প্রশ্ন। এই ১৪ দিন কাটিয়ে দাও, তারপর তোমরা রেস্তোরাঁতে যেতে পারবে, স্বাধীনভাবে ঘুরতে পারবে। ওরা আমাকে স্পষ্ট ভাষায় বলেছে আর একটা ভুল হলেই ওরা আমাদের দেশে পাঠিয়ে দেবে।”
নিউজিল্যান্ড থেকে দলকে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হলে সেটা দলের ও দেশের কাছে খুব লজ্জার হবে বলেই জানিয়েছেন ওয়াসিম খান। দলকে বার্তায় তিনি বলেন, “এটা দেশের সম্মানের প্রশ্ন। যদি ওদের দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয় তাহলে সেটা খুবই লজ্জার হবে। আমি জানি এটা খুবই কঠিন। কিন্তু ওরা যে নিয়ম বানিয়েছে তা আমাদের মানতেই হবে। আমাদের আর কোনও সুযোগ নেই। কারণ ওরা ওদের দেশের মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে পারবে না। তাই আমাদের দেশের জন্য সেটা ভাল হয় সেটাই তোমরা কর।”