জুভেন্টাসের হয়ে সেঞ্চুরি ম্যাচে ৪০০ জয় রোনাল্ডোর, বার্সার মান বাঁচল মেসির গোলে
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফিফা বর্ষসেরা পুরস্কার অনুষ্ঠান যত এগিয়ে আসছে, ততই যেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর খেলার ঝলক বাড়ছে। থামানো যাচ্ছে না সিআর সেভেনকে।
৩৫ বছরেও এত ওয়ার্কলোড নিয়ে খেলছেন, দেখে মনে হবে ২৩-র টগবগে এক তরুণ। ইতালি সিরি এ লিগে জুভেন্টাস
শেষ আপডেট: 14 December 2020 13:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফিফা বর্ষসেরা পুরস্কার অনুষ্ঠান যত এগিয়ে আসছে, ততই যেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর খেলার ঝলক বাড়ছে। থামানো যাচ্ছে না সিআর সেভেনকে।
৩৫ বছরেও এত ওয়ার্কলোড নিয়ে খেলছেন, দেখে মনে হবে ২৩-র টগবগে এক তরুণ। ইতালি সিরি এ লিগে জুভেন্টাস ৩-১ গোলে হারাল জেনোয়াকে, যার সিংহভাগ অবদান রোনাল্ডোর, তাঁর জোড়া গোলে একটি নজিরও সৃষ্টি হয়েছে।
২০১৮ সালে জুভেন্টাসে যোগ দেওয়ার পর ইতালির ‘ওল্ড লেডি’দের জার্সি গায়ে জেনোয়ার বিপক্ষে রোনাল্ডোর এটা সেঞ্চুরি ম্যাচ ছিল। আর এই ম্যাচে এসেই দারুণ এক মাইলফলক স্পর্শ করলেন তিনি। ইউরোপের সেরা ৫ লিগের সমন্বয়ে ২০০০ সালের পর এই প্রথম এবং একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে ৪০০তম ম্যাচ জয়ের কৃতিত্ব স্থাপন করলেন পর্তুগিজ তারকা।
রোনাল্ডোর পরেই রয়েছেন লিওনেল মেসি। তিনি জিতেছেন ৩৬৬টি ম্যাচ এবং ইতালির জিয়ানলুইজি বাফন রয়েছেন তিন নম্বরে। তিনি জিতেছেন ৩৫০টি ম্যাচ।
জেনোয়ার বিপক্ষে গোল দুটি কিন্তু রোনাল্ডো করেছেন পেনাল্টি থেকে। এর আগে সর্বশেষ ম্যাচে বার্সার মাঠে গিয়ে জোড়া গোল করে এসেছিলেন সিআর সেভেন। সেই ম্যাচেও জোড়া গোল এসেছিল তার পেনাল্টি থেকে।
জুভেন্টাসের হয়ে ১০০তম ম্যাচ খেললেও রোনাল্ডো গোল করেছেন ৭৯টি। এখন তাঁর চোখ সেঞ্চুরি গোলের দিকে। ম্যাচ শেষে সিআর সেভেন বলেছেন, ‘‘জুভের জার্সি গায়ে ৪০০তম ম্যাচ জয়ের সাক্ষি হতে পেরে সত্যিই নিজেকে গর্বিত লাগছে, তবে আমার পরের লক্ষ্য ১০০টি গোল করা জুভেন্টাসের হয়ে।’’

এদিকে, ঘরের মাঠে আবারও পয়েন্ট হারানোর একেবারে দ্বারপ্রান্তে চলে গিয়েছিল বার্সেলোনা। মাত্র তিনদিন আগে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ঘরের মাঠে জুভেন্টাসের কাছে বিধ্বস্ত হওয়ার পর বার্সার জন্য জয় ছাড়া কোনও বিকল্প ছিল না।
গোলশূন্যভাবে যখন ম্যাচটি শেষ হওয়ার প্রায় শেষ দিকে চলে এসেছিল, তখনই গোল মেসির পা থেকে। ৭৬ মিনিটে করা মেসির সেই গোলেই মানরক্ষা বার্সেলোনার। লেভান্তেকে ১-০ গোলে হারিয়ে পূর্ণ পয়েন্ট অর্জন করেছে রোনাল্ড কোম্যানের ছেলেরা।
বার্সার জার্সি গায়ে ক্যারিয়ারে ৬৪২তম গোল করলেন তিনি। এই এক গোলেই জয়ের সঙ্গে অনেক সমালোচনার মুখও বন্ধ করে দিলেন মেসিরা। গোল করার পর শূন্যে ঘুষি ছুঁড়ে দিয়ে বাড়তি উচ্ছ্বাস দেখালেন মেসি। তাঁকে এভাবে উল্লাস করতে দেখা যায় না। বোঝাই গিয়েছে তিনি অবিরাম সমালোচনায় চাপে ছিলেন।
ম্যাচ শেষে বার্সা কোচ রোনাল্ড কোম্যান বলেছেন, ‘‘কিভাবে ম্যাচ জিতেছি, সেটা ভাবতে চাই না। সবচেয়ে বড় কথা ম্যাচ জিতেছি।’’ যদিও ম্যাচ শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে করা প্রশ্ন নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধ বার্সা কোচ। এক সাংবাদিক প্রশ্ন তোলেন তাঁর ম্যাচ কৌশল নিয়ে। মেসিদের কোচের মনে হচ্ছে, এটি তাঁর বিরুদ্ধে চলা একটি ষড়যন্ত্রেরই নমুনা মাত্র।