দ্য ওয়াল ব্যুরো: আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে ভারতীয় দলের পাঁচ ক্রিকেটার রোহিত শর্মা, ঋষভ পন্থ, শুবমান গিল, পৃথ্বী শ ও নবদীপ সাইনিকে। কোভিড প্রোটোকল ভেঙে তাঁরা একটি রেস্তোরাঁতে খেতে গিয়েছিলেন বলে খবর। এমনকি সেখানে গিয়ে এক ফ্যানের সঙ্গে বসে নাকি খাবারও খান তাঁরা। তাঁদের প্রত্যেককে এক অন্যের থেকে দূরে রাখা হয়েছে। কিন্তু তাঁরা আইসোলেশনে থাকলেও ট্রেনিং করতে পারবেন।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, “কড়া নিয়ম অনুযায়ী আমাদের নিশ্চিত করতে হবে সব ক্রিকেটারদের সুরক্ষা। তাই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।” রোহিতরা কোনও নিয়ম ভেঙেছেন কিনা তা নিয়ে বিসিসিআই ও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার তরফে আলাদা আলাদা ভাবে তদন্ত শুরু হয়েছে বলেই খবর।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আজ একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে বর্ষবরণের দিনে মেলবোর্নের একটি রেস্তোরাঁতে খাবার খেতে গিয়েছেন রোহিত শর্মা, ঋষভ পন্থ, শুবমান গিল, পৃথ্বী শ ও নবদীপ সাইনি। এই বিষয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া ও বিসিসিআইকে জানানো হয়েছে। দুই বোর্ডই তদন্ত করে দেখছে যে এভাবে খেতে গিয়ে তাঁরা কোভিড প্রোটোকল ও জৈব বলয়ের প্রোটোকল ভেঙেছেন কিনা।”
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার তরফে জানানো হয়েছে, “এর মধ্যে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মেডিক্যাল দলের পরামর্শ অনুযায়ী পাঁচজন প্লেয়ারকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এই সময় তারা অন্য ক্রিকেটারদের কাছে থাকতে পারবেন না। এমনকি ট্রেনিংয়ের সময় অন্য ক্রিকেটারদের কাছে তাঁরা যেতে পারবেন না। যদিও ট্রেনিং করতে কোনও সমস্যা হবে না তাঁদের।”
এইসব সমস্যার সূত্রপাত হয় এক ফ্যান সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করার পর থেকে। ভিডিওতে দেখা যায় রোহিত শর্মা, ঋষভ পন্থ, শুবমান গিল, পৃথ্বী শ ও নবদীপ সাইনি রেস্তোরাঁয় বসে রয়েছেন। ওই যুবক দাবি করেন, তিনি সবার খাওয়ার বিল দিয়েছেন। এমনকি ঋষভ পন্থ তাঁকে জড়িয়ে ধরেছে বলেও দাবি করেন তিনি। যদিও পরে তিনি জানান, কাউকে জড়িয়ে ধরেননি তিনি। সবাই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই বসেছিলেন সেখানে। অবশ্য ততক্ষণে যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।