
শেষ আপডেট: 15 December 2020 15:56
খেলার ২৫ মিনিটের মাথায় ইস্টবেঙ্গলের গোল করে এগিয়ে দেন জ্যাক মাঘোমা। সেইসময় বোঝা যায়নি এই দলটাই হতোদ্যম হয়ে যাবে। কিন্তু যত ম্যাচ গড়িয়েছে তত দেখা গিয়েছে ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণ যেন ফাঁকা ময়দান। নিজের ইচ্ছে মতো খেলো, এই স্লোগানকে মাথায় রেখে যেন খেলতে নেমেছিলেন ফাউলারের ছেলেরা। রক্ষণ ও মাঝমাঠের মধ্যে শতযোজন দুরত্ব, তার চেয়েও বড় কথা দলের ডিফেন্সের হাল খারাপ। কোচ ফাউলার বুঝেই উঠতে পারছেন না কাকে দিয়ে কী করানো যাবে। তাঁর পরিবর্তনগুলিও ঠিক নয়।
হায়দরাবাদের তিনটি গোলের জন্যই লাল হলুদের রক্ষণ দায়ী। গোলরক্ষক দেবজিতের কিছু করার ছিল না। বিরতির পরে ৫৫ ও ৫৬ মিনিটে হায়দরাবাদের পক্ষে গোলগুলি করেন আরিদানে সান্তানা। এই বিদেশীকে রোখার মতো কাউকে দেখা যায়নি। হায়দরাবাদের পক্ষে শেষ গোলটি করেন হালিচরণ নাজারি, তাঁর পা থেকে গোলটি আসে ৬৮ মিনিটে। সেইসময়ও লাল হলুদ রক্ষণ অরক্ষিত ছিল। এই ম্যাচে ইরশাদকে বসিয়ে দিয়েছিলেন কোচ, তবে নারায়ণ দাস ও নেভিল যেভাবে খেলছেন, তাতে দলের আতঙ্ক আরও বাড়বে।
এসসি ইস্টবেঙ্গল: দেবজিৎ মজুমদার (গোলরক্ষক), স্কট নেভিল, শেহনাজ সিং, মহম্মদ ইরশাদ, মাট্টি স্টেইনম্যান, নারায়ণ দাস, মহম্মদ রফিক, অ্যান্থনি পিলকিংটন, জ্যাক ম্যাঘোমা, সিকে বিনিথ, সিকে ভিনিথ (অ্যারণ)।
হায়দরাবাদ এফসি: সুব্রত পাল(গোলরক্ষক), চিংলেনসানা সিং, জোয়াও ভিক্টর, আরিদেন সান্তানা, মহম্মদ ইয়াসির, ওদেই ওনিয়েন্দিয়া, হিতেশ শর্মা, নিখিল পুজারি, আকাশ মিশ্র, আশিস রাই, হালিচরণ নার্জারি।