কাল হতে পারে সৌরভের অ্যাঞ্জিওগ্রাম, খোঁজ নিলেন অমিত শাহ
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাল বৃহস্পতিবার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের অ্যাঞ্জিওগ্রাম হতে পারে, পরিবার সূত্রে এমনই জানা গিয়েছে। গত ২ জানুয়ারি তিনি প্রথম মৃদু হৃদরোগে আক্রান্ত হন। তারপর তিন সপ্তাহ ঠিকই ছিল। কিন্তু গতকাল থেকে তাঁর বুকে ফের ব্যথা শুরু হয়। তারপ
শেষ আপডেট: 27 January 2021 14:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাল বৃহস্পতিবার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের অ্যাঞ্জিওগ্রাম হতে পারে, পরিবার সূত্রে এমনই জানা গিয়েছে। গত ২ জানুয়ারি তিনি প্রথম মৃদু হৃদরোগে আক্রান্ত হন। তারপর তিন সপ্তাহ ঠিকই ছিল। কিন্তু গতকাল থেকে তাঁর বুকে ফের ব্যথা শুরু হয়। তারপর বুধবার দুপুরে সেটি বাড়লে ঝুঁকি না নিয়ে সৌরভকে নিয়ে যাওয়া হয় অ্যাপোলো হাসপাতালে।
এদিন দুপুরে হাসপাতালে পৌঁছে সৌরভের ইসিজি ও ইকো কার্ডিওগ্রাম করা হয়, তাতে কিঞ্চিৎ সমস্যা ধরা পড়েছে। যে কারণে বাকি দুটি স্টেন্ট বৃহস্পতিবার বসতে পারে বলে জানা গিয়েছে।
আগেরবার উডল্যান্ডস হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিয়েছিল, সৌরভকে ফের ১৪ দিন পরে হাসপাতালে পরীক্ষা করতে আসতে হবে। কিন্তু তারপরেও তিনি হাসপাতালে কেন যাননি, সেই প্রশ্নও উঠছে। অবশ্য তাঁদের পারিবারিক চিকিৎসক ডাঃ সপ্তর্ষি বসু উডল্যান্ডসেরই চিকিৎসক, তিনি নিয়মিত দেখভাল করেছেন ভারতের অন্যতম সেরা অধিনায়কের।
https://twitter.com/ANI/status/1354395201331060741
অ্যাপেলোতে অবশ্য সৌরভ রয়েছেন ডাঃ সরোজ মন্ডলের তত্ত্বাবধানে। এমনকি আফতাব খানও তাঁকে দেখছেন। গতবার তিনিই সৌরভের অ্যাঞ্জিওগ্রাম করেছিলেন। আলিপুরের যে হাসপাতালে তাঁর একটি স্টেন্ট বসে, সেই হাসপাতালে কেন তাঁকে ফের নিয়ে যাওয়া হল না, সেটি নিয়েও সমানভাবে কথা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, সৌরভের থেকে ছয় বছরের বড় দাদা স্নেহাশিসেরও হৃদযন্ত্রে স্টেন্স বসেছে বাইপাসের ধারের হাসপাতালেই। মহারাজের দাদা সম্পূর্ণ সুস্থই রয়েছেন।
যদিও বুধবার বিকেলে অ্যাপেলো হাসপাতাল সূত্রে একটি মেডিকেল বুলেটিন প্রকাশ করা হয়। তাতে জানানো হয়েছে, সৌরভের হৃদযন্ত্রে কোনও সমস্যাই হয়নি। তিনি গতবার শেষদিন যে অবস্থায় বাড়ি ফিরেছিলেন, ঠিক তেমনই রয়েছেন। তিনি চেকআপ করাতে এদিন হাসপাতালে আসেন। তাঁর হৃদযন্ত্র স্বাভাবিকই রয়েছে।
সৌরভ ফের অসুস্থ হয়ে পড়তেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ খোঁজ নেওয়া শুরু করেন। তিনি সৌরভের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন ফোনে। কোনও ব্যবস্থা নিতে হলে তাঁকে যেন জানানো হয়, সেটিও বলেছেন তিনি।