দ্য ওয়াল ব্যুরো: চলতি আইএসএলে ইস্টবেঙ্গল শেষ থেকে কোথায় শেষ করবে, কেউ জানে না। প্রতি ম্যাচের আগেই আতঙ্ক, ফের পয়েন্ট হারাবে না তো! আবারও কি হারবে দল? এরকম একটি পরিবেশের মধ্যে এসে দাঁড়িয়েছে দলের অবস্থা। রবিবার জামশেদপুর ম্যাচের আগে দলের সহকারি কোচ টনি গ্রান্ট ফের তির ছুঁড়ছেন নিন্দুকদের উদেশ্যে।
ইনভেস্টর শ্রী সিমেন্ট তারা বীতশ্রদ্ধ দলের পারফরম্যান্সে। যদিও কোচ রবি ফাউলার নিয়ে তারা কোনও প্রশ্ন তুলছেন না। কারণ কোচ নিয়োগ তাদের হাত ধরেই হয়েছে। বিনিয়োগকারী সংস্থার আধিকারিকরা রবি ফাউলারকে কোচ করে নিয়ে এসেছেন। ফাউলার বড় ফুটবলার হতে পারেন, কিন্তু তিনি কোচ হিসেবে কখনই পরীক্ষিত নন। বড় কোনও দলে কোচিংই করাননি। তাই যা হওয়ার সেটাই ঘটেছে।
ইস্টবেঙ্গলের মতো হেভিওয়েট দলের দায়িত্ব নিয়ে তিনি ভিড়মি খাচ্ছেন। ম্যাচ হারের কারণ হিসেবে দলের ভারতীয়দের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাঁদের কথা মতো ফুটবলার নিয়োগের পরে রেফারির মুণ্ডপাত শুরু করেন তারপর।
রেফারির নামে গালিগালাজ ও বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্য করায় ফাউলারকে চার ম্যাচে নির্বাসন দেওয়া হয়েছে। তিনি চার ম্যাচে মাঠের ধারেকাছেও থাকতে পারবেন না। তাঁর বদলে কোচিং করাবেন ফাউলারের সহকারী টনি গ্রান্ট। তিনি আবার কোচের পদে বসতেই একের পর এক সমালোচনা শুরু করে দিয়েছেন। তাঁরা বুঝে গিয়েছেন তাঁদের পক্ষে এর চেয়ে ভাল কিছু করা সম্ভবপর নয়। তাই পালটা সমালোচনা শুরু করেছেন।
শনিবারও তিনি ম্যাচের আগেরদিন প্রথাগত ভার্চুয়াল প্রেস কনফারেন্সে বলেছেন, ‘‘প্রি-সিজন প্র্যাকটিস আমরা ভাল করে করতে পারিনি। তারপরেও আমরা চেষ্টা করেছি। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য করে যেভাবে একের পর এক পাথর ছোঁড়া হচ্ছে, সেটি দলের পক্ষে ভাল নয়।’’
ফাউলারের ডেপুটি জানিয়েছেন, ‘‘দিনের পর দিন জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে থাকা, সেটি মানসিক চাপের পক্ষে যথেষ্ট, এগুলি কেউ ভাবছে না। শুধু আমাদের দিকে বন্দুকের নল তাক করা হচ্ছে। এটি দলের পক্ষে ভাল নয়।’’
এসসি ইস্টবেঙ্গলের চলতি আইএসএলে পয়েন্ট মাত্র ১৩, ম্যাচ খেলেছে তারা ১৫টি। এত ভাল দল গড়ে, বিদেশীদের নিয়ে এসে, মূল কোচের সঙ্গে রয়েছেন আরও আট ধরনের কোচ, তারপরেও ঘটি ডুবছে না দলের। নিজেদের চাকরি বাঁচাতে তাই উল্টে আক্রমণের রাস্তা ধরেছেন ফাউলারের সহকারী।