দ্য ওয়াল ব্যুরো: আবারও বিতর্কের কেন্দ্রে রবি ফাউলার। এস সি ইস্টবেঙ্গল কোচ এর আগে রেফারিকে তিরষ্কার করে চার ম্যাচ সাসপেন্ড হয়েছেন। তাঁকে শাস্তি দিয়েছে এআইএফএফ-র শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। সেই কারণে ১৯ ফেব্রুয়ারি বড় ম্যাচেও ফাউলার থাকতে পারবেন না ডাগআউটে।
তাঁকে শেষ তিনটি ম্যাচ দেখা গিয়েছে গ্যালারিতে। সেখানে বসেই দলের খেলা দেখেছেন। কিন্তু ফেডারেশন জানিয়ে দিয়েছিল, ফাউলারের ওপর নজরও রাখা হবে। তাঁর আচরণে ফের কোনও সমস্যা দেখা দিলে তাঁকে আইএসএলের বাকি ম্যাচেও মাঠের বাইরে থাকতে হবে।
সেটাই কার্যত হতে চলেছে এবার। কারণ হায়দরাবাদ এফসি-র বিপক্ষে ম্যাচে ফাউলার গ্যালারিতে দাঁড়িয়েই বিপক্ষ ফুটবলারকে অশ্রাব্য গালিগালাজ করেছেন। যা দেখেছেন ম্যাচ কমিশনার ও চতুর্থ রেফারি। তাঁরাই রিপোর্ট করে দেন ফেডারেশনকে।
ঘটনার উল্লেখ করে তাঁরা রিপোর্টও জমা করেছেন ফেডারেশনের কাছে। সেই প্রেক্ষিতে শো-কজও করা হয়েছে ফাউলারকে। ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাঁকে জবাব দিতে হবে। শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি যদি তাঁর উত্তরে সন্তুষ্ট না হয়, তা হলে আরও বড় শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে ফাউলারকে।
এমনকি ফাউলারের সহকারী টনি গ্রান্টকেও সমানভাবে ফেডারেশন শোকজ করেছে। তিনিও গত হায়দরাবাদ ম্যাচ শেষে জানিয়েছিলেন, হায়দরাবাদ সারাক্ষণ ম্যাচে রেফারিকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে। এটিও ভালমতন নেয়নি ফেডারেশন কর্তারা। তাঁরা সমানভাবে গ্রান্টের কাছেও এর ব্যাখ্যা চেয়েছেন। কিসের ভিত্তিতে এমন অভিযোগ তিনি করেছেন, সেটিও জানতে চায় তারা। বুধবারের মধ্যে যদি কোচ ও সহকারি কোচ কারওর বক্তব্যই জুতসই না হয়, তা হলে ডার্বিতে কি ইস্টবেঙ্গল কোচহীন খেলবে, সেটাই লাখ টাকার প্রশ্ন।