
শেষ আপডেট: 2 December 2020 08:17
এরপরেই ভারতীয় ফুটবলারদের নিয়ে নিজের ক্ষোভ উগরে দেন লিভারপুলের কিংবদন্তি। তিনি বলেন, “কিছু ভারতীয় ফুটবলারকে দেখে মনে হচ্ছে ওদের কোচিংটাই নেই। কীভাবে পাসিং ফুটবল খেলতে হয়, সেটাই ক্রমাগত বোঝানোর চেষ্টা করছি ওদের। ওদের দেখে মনে হচ্ছে ঠিকঠাক কোচিং হয়নি। সেই কাজটাই আমরা করার চেষ্টা করছি। কিন্তু খুব দ্রুত ফুটবলারদের সেগুলো শিখে নিতে হবে। চার-পাঁচ দিনের মধ্যেই নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে নামতে হবে আমাদের। দু’ম্যাচ হারার হতাশা আমাদের কাটিয়ে উঠতে হবে।”
এটিকে মোহনবাগান ও মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে দলের দুই সাইড ব্যাক নারায়ণ দাস ও সুরচন্দ্র সিংয়ের কাছ থেকে অনেক ভুলত্রুটি হয়েছে। বেশিরভাগ গোলই হয়েছে দুই সাইড ব্যাকের ভুলে। অনেক সময় ফাইনাল ট্যাকলে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন তাঁরা। অনেক সময় সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় থাকতে পারেননি। কিন্তু এরপরেও তাঁদের উপরেই ভরসা রাখছেন ফাউলার।
সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, “ওদের রেখেই প্রথম একাদশ সাজাতে চাইছি। কারণ দলে যে ফুটবলার রয়েছে তাদেরই তো খেলাতে হবে। তবে আগের দুই ম্যাচ যে ভুল হয়েছে সেগুলো যাতে না হয় সেই চেষ্টা করব। কিন্তু আমাদের আরও পরিশ্রম করতে হবে। একবার প্লেয়াররা সেট হয়ে গেলে অনেক ভাল ফুটবল খেলব আমরা।”
দু’ম্যাচে হারের পরেই অবশ্য কিছু কারণে আঙুল উঠছে ফাউলারের দিকে। বিশেষজ্ঞদের অনেকে বলছেন, একটাই পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামছেন ফাউলার। তাই চাপে পড়লে অন্য কিছু চোখে পড়ছে না। যেমন মুম্বই ম্যাচে ড্যানি ফক্স চোট পেয়ে মাঠ ছাড়ার পরে কোনও প্ল্যান বি চোখে পড়েনি লাল-হলুদ কোচের। এছাড়া বেশ কিছু অভিজ্ঞ প্লেয়ারকে বেঞ্চে বসিয়ে অনভিজ্ঞদের উপরে বেশি আস্থা দেখাচ্ছেন কোচ। তিনি দলের ডিফেন্সের কথা বললেও বিশেষজ্ঞরা অবশ্য আঙুল তুলেছেন ফরওয়ার্ড লাইনের দিকেই। বলবন্ত, জেজে কেউ ফর্মে নেই। গোলটা আসবে কোথা থেকে। এখন দেখার নর্থইস্ট ম্যাচ থেকে ইস্টবেঙ্গল ঘুরে দাঁড়াতে পারে কিনা।