
শেষ আপডেট: 7 February 2021 13:43
এই ইস্টবেঙ্গল প্রথম থেকেই সংঘবদ্ধ আক্রমণ করেছে, মাঝমাঠে অজস্র পাস খেলেছে, উইং দিয়ে দৌড় দেখা গিয়েছে বারবার। ব্রাইট, মাঘোমা, পিলকিনটনদের খেলায় যেন নয়া ছন্দ। ব্রাইট, মাঘোমার দৌড় সামলাতে দিশেহারা জামশেদপুর এফসি-র রক্ষণ।
এসসি ইস্টবেঙ্গলের পক্ষে গোল মাট্টি স্টেইনম্যানের। খেলার ছয় মিনিটের মাথায় নারায়ণ দাসের কর্ণার থেকে স্টেইনম্যানের হেডে গোল দেখলেই বোঝা যাবে তিনি বড় তারকা। এত সুন্দরভাবে হেডে প্লেসিং করলেন, বিপক্ষ গোলরক্ষক হাঁটু মুড়ে বসে শুধু দেখলেন।
ইস্টবেঙ্গলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন নামী স্ট্রাইকার পিলকিনটন। তিনি স্টেইনম্যানের পাস ধরে চকিতে যে শটে গোল করেছেন, তা ধরার ক্ষমতা প্রতিপক্ষের গোলরক্ষকের ছিল না। একটা সময় ব্রাইটদের সামলাতে কালঘাম ছুটেছে বিপক্ষ ডিফেন্ডারদের।
ইস্টবেঙ্গল যে রবিবার অন্যরকম খেলবে, তা ধরা গিয়েছিল দলের প্রথম একাদশ দেখে। অস্থায়ী কোচ গ্রান্ট মোট ছয় তারকাকে বদল করেন। এদিন দলে এসেছিলেন সার্থক গোলুই, সৌরভ দাস, রাজু গায়কোয়াড, অ্যান্থনি পিলকিনটন, জ্যাক মাঘোমা ও গোলরক্ষক সুব্রত পাল। বসিয়ে দেওয়া হয়েছিল স্কট নেভিল, অজয় ছেত্রী, আঙসুয়ানা, হরমনপ্রিৎ সিং, অ্যারণ হলওয়ে ও দেবজিৎ মজুমদার।
এই বদলটাই ইতিবাচক হয়ে গিয়েছে দলের পক্ষে। গ্রান্ট দলকে সাজিয়েছিলেন ৪-৪-২ ছকে, সামনে রেখেছিলেন পিলকিনটন ও ব্রাইটকে, একটু পিছনে রেখেছিলেন মাঘোমা ও স্টেইনম্যানকে।
যদিও ম্যাচের শেষ পাঁচ মিনিট জামশেদপুর এফসি পুরো চেপে বসে লাল হলুদ রক্ষণের ওপর। সেইসময় ত্রাহি অবস্থা হয়ে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের। এই মনে হচ্ছিল বুঝি গোল খেয়ে যায় তারা। শেষমেশ হয়নি, গোলরক্ষক সুব্রত পাল ম্যাচে দুটি দারুণ সেভ করেছেন।