
শেষ আপডেট: 2 February 2021 16:14
ম্যাচের ১১ মিনিটের মাথায় বেঙ্গালুরু দলের হয়ে গোল করেন ক্লেটন সিলভা। গোলটির ক্ষেত্রে সিংহভাগ কৃতিত্ব দলনেতা সুনীল ছেত্রীর, তাঁর পাস ধরে আসল কাজ সারেন সিলভা। বেঙ্গালুরুর হয়ে দ্বিতীয় গোলটি হয় দেবজিৎ মজুমদারের আত্মঘাতী থেকে। রাহুল ভেকের পাস ধরে যে শটটি মেরেছিলেন পরাগ শ্রীভাস, সেটি দেবজিতের হাতে লেগে জালে জড়িয়ে গিয়েছে।
সবদিক থেকে লাল হলুদ দলকে নিয়ে ব্যর্থ ফাউলার। তিনি পরপর পাঁচ ম্যাচে জয়ের মুখ দেখতে পেলেন না। আর বিপরীত দিকে, নৌসাদ মুশার দল বেঙ্গালুরু আট ম্যাচ পরে জয়ের মুখ দেখল। এই ম্যাচে দারুণ খেললেন সুনীল। তিনি মাঠে কোচের ভূমিকায় ছিলেন।
ম্যাচের শুরু থেকেই কার্যত রক্ষণাত্মক খেলেছে ইস্টবেঙ্গল। দলের প্রথম একাদশ দেখে তাই বোঝা গিয়েছে। তার থেকেও বড় বিষয়, স্কট নেভিলদের বারবার হেলায় হারিয়েছেন সুনীলরা। কিন্তু একবারের জন্যও কোচ ফাউলার তাঁর সামনে ব্লকার আনেননি। যে কারণে বেঙ্গালুরু বারবার আক্রমণ করে গিয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে দেবজিৎ ভাল সেভ করলেও তিনিও ভুল করেছেন দ্বিতীয় গোলের ক্ষেত্রে।
ম্যাচের প্রথমার্ধে ব্রাইটের একটা ফ্রিকিক ছাড়া বলার মতো কিছু নেই। যা আক্রমণ হয়েছে সেটিও বিক্ষিপ্ত। খেলার মধ্যে কোনও পরিকল্পনা আগের ম্যাচগুলিতেও দেখা যায়নি, এবারও তাই হয়েছে। ম্যাচ হেরে শুধু রেফারিদের ওপর নানা অভিযোগ জানান ব্রিটিশ কোচ ফাউলার। কিন্তু তাঁর খেলানোর কৌশলে কোনও নতুনত্ব কিছু নেই। বরং একটা ফুটবলারের বিকল্প হিসেবে যাঁকে নামিয়েছেন, তিনিই ব্যর্থ হয়েছে ম্যাচে।