দ্য ওয়াল ব্যুরো: এ এক অভিনব প্রতিবাদ। আর এই ধরনের প্রতিবাদ করতে গিয়ে বিপত্তি ঘটিয়েছে গ্রিনপিস নামক সংস্থা।
ইউরো কাপে জার্মানি ও ফ্রান্স মহারণের ঠিক আগেই মিউনিখের অ্যালিয়াঞ্জ এরিনায় আচমকা নেমে আসে একটি প্যারাসুট। সেই প্যারাসুটে ছিল গ্রিনপিস নামক সংস্থার দুই আন্দোলনকারী। প্যারাসুটে লেখা ছিল, ‘কিক অ্যান্ড অয়েল’।
ইউরোর স্পনসর একটি গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থা, যার অনুমোদন দিয়েছে উয়েফা। কিন্তু গ্রিনপিস নামক সংস্থাও দাবিদার ছিল। কেন তাদের সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি, তারই প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে এমন কান্ড করেছে তারা। তাতে মাঠের দর্শকরা আহত হয়েছেন। টিভি সম্প্রচার সংস্থার ক্যামেরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই নিয়ে উয়েফা রীতিমতো বিরক্ত। তারা এই ঘটনায় একটি বেসরকারী এজেন্সিকে তদন্ত করতে নির্দেশ দিয়েছে। কী কারণে তারা এমন কান্ড করেছে, সেই নিয়ে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।
https://twitter.com/UEFA_Euro_2021/status/1404881529335996418
এও জানানো হয়েছে, আকাশ পথের মাধ্যমে প্রতিবাদ করলেও কেন র্যাডারে তাদের গতিবিধি চিহ্নিত করা গেল না, এই প্রশ্নও উঠছে। নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। আহত দর্শকদের সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আন্দোলনকারীদের গ্রেফতারও করা হয়েছে।
মিউনিখ পুলিশের এক মুখপাত্র বলেন, “দু’জনের মাথায় আঘাত লেগেছে। তাদের সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে তাদের চোট কতটা গুরুতর তা এথনও জানা যায়নি।” ঘটনাটি মোটেও ভাল চোখে দেখছে না উয়েফা।’’
https://twitter.com/GFFN/status/1404890958588694534
তারা বিবৃতিতে জানিয়েছে, “এটা একটা অনভিপ্রেত ঘটনা। যে সকল দর্শক গ্যালারিতে উপস্থিত ছিল, সকলের জীবনের ঝুঁকি ছিল। এর ফলে প্রচুর দর্শক আহত হতে পারত। আপাতত আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আইন মেনেই আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
গ্রিনপিস নামক এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটি মূলত বিশ্বে সবুজায়নের লক্ষ্যে পরিবেশ রক্ষার নানা কাজ করে থাকে। তাদের নানা এনজিও রয়েছে, এদের সদরদপ্তর নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে। সারা বিশ্বের ৫৯টি দেশে তাদের শাখা অফিস রয়েছে। কলকাতাতেও কসবা অঞ্চলে এদের শাখা রয়েছে।