দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিশ্ব ক্রীড়া মানচিত্রে বহু খেলার আয়োজনই সেইসময় স্থগিত করে দেওয়া হয়েছিল। একটাই কারণ, করোনা পরিস্থিতি, তার জন্য পিছিয়ে গিয়েছিল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, উইম্বলডন বাতিল হয়ে যায়। টোকিও অলিম্পিকের ক্ষেত্রে নতুন দিন ঘোষণা করা হবে, জানানো হয়।
তারপরেও আইপিএল শুরুর ডঙ্কা বেজেছিল। বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের মস্তিষ্ক থেকেই পরিকল্পনা করা হয়, যে আরব আমিরশাহীতে আইপিএল করে দেওয়া সম্ভব। সেই হিসেবে বোর্ড থেকে ইউএই-র কাছে প্রস্তাব যায়, তারা সম্মতি জানাতে বোর্ড থেকে বলে দেওয়া হয়, টুর্নামেন্ট হলেও তা হবে জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে।
জৈব সুরক্ষা বলয় বলা যতটা সহজ, করা ততটা কঠিন। তার চেয়েও বেশি কঠিন ওই নিয়মের আবর্তে সবাইকে বেঁধে রাখা। তার জন্য বোর্ডের কোষাগার থেকে খরচ হয়েছে প্রায় দশ কোটি টাকা। প্রতিটি ক্রিকেটারদের এই ৫৭ দিনের টুর্নামেন্ট প্রায় ২০ বার কোভিড পরীক্ষা হয়েছে।
যিনি এই টুর্নামেন্ট করার বিষয়ে সবচেয়ে উদ্যোগী ভূমিকা নিয়েছিলেন, সেই সৌরভ মনে করছেন, ২০২১ সালে আরও ভাল করে আইপিএল করা যাবে। তার জন্য জানুয়ারিতে হবে মেগা নিলাম। কোন শহরে তা হবে, জানানো হয়নি। তবে এটা জানানো হয়েছে সামনের বার আইপিএলে আসবে নয়া একটি দল।
সেই দলটি আসবে গুজরাট থেকে। আমেদাবাদ শহরের নামে সেই দলের ফ্রাঞ্চাইজি হতে পারে। এর আগেও ২০১৬ ও ১৭ সালে গুজরাট লায়ন্স নামে একটি দল আইপিএলে খেলেছিল, যে দলের অধিনায়ক ছিলেন সুরেশ রায়না। ওই দলটি প্রথম বছর কোয়ালিফায়ার টু-তে যায়, পরের বছর সাতে শেষ করেছিল।
ওই দলই আবার যোগ দেবে কিনা জানা যায়নি। এবার আমেদাবাদের মোতেরা স্টেডিয়ামকে নতুন ভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। নতুন দলের ওটাই নিজস্ব স্টেডিয়াম হবে, এটি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
যদিও এবার সাফল্যের সঙ্গে ৫৭ দিনের টুর্নামেন্ট আয়োজনের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘‘এটা ক্রিকেটারদের জন্যই সম্ভব হয়েছে। কেননা জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে টানা থাকা কষ্টকর, কিন্তু আমরা দেখেছি সব ক্রিকেটারই হোটেলের ঘরের বাইরে পা রাখেনি। এটা দীর্ঘদিন ধরে বজায় রাখা কঠিনই ছিল।’’