দ্য ওয়াল ব্যুরো: মানুষের জীবন অমূল্য। সেই জীবন ফিরে পাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠে সবাই।
ইউরো কাপের ম্যাচে ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেন যেভাবে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিলেন, তাতেই আশঙ্কা ছিল। তিনি মাঠেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন। তাঁকে কৃত্রিম উপায়ে মাঠেই শ্বাস নেওয়ার প্রক্রিয়া চালু করার চেষ্টা করা হয়। সেই কাজটি করেছিলেন ডেনমার্ক দলের অধিনায়ক সাইমন কায়ের। তিনি সিপিআর দেওয়ার চেষ্টা চালান। ওটিতেই জীবন বেঁচেছে এরিকসেনের।
স্বামী মাঠে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। প্রথমে গ্যালারি থেকে বুঝতে পারেননি স্ত্রী সাব্রিনা জেনসেন। তারপর যখন দেখেন, তাঁর স্বামীর নামে মাঠে ঘোষণা হচ্ছে, সেইসময় ফেন্সিং টপকে মাঠে প্রবেশ করেন তিনি। স্বামীকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় দেখে মাঠে ঢুকে পড়েন তিনি। কেঁদে ফেলেন মাঠের মধ্যে।
সাব্রিনাকে সান্ত্বনা দিতে থাকেন ডেনমার্কের খেলোয়াড়রা। যাঁরা নিজেরাও আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন। এরিকসেনের স্ত্রী'কে ভরসা জোগাতে দেখা যায় কয়েকজন কর্তাকেও।
https://twitter.com/MousaQi/status/1403767518976741381
এরিকসেনের জীবন ফিরে পাওয়ার জন্য অনেকেরই কৃতিত্ব প্রাপ্য। তিনি যখন মাটিতে পড়ে গেলেন, তখন রেফারি অ্যান্টনি টেলর তৎক্ষণাৎ খেলা থামিয়ে দিয়েছেন। এরপর চিকিৎসক দল অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করে দেন। ডেনমার্কের ফুটবলাররা এরিকসেনের চারপাশে বলয় তৈরি করেন, যে দৃশ্য ফুটবল ইতিহাসে জায়গা করে নেবে।
যদিও ড্যানিশ অধিনায়ক কায়ের ওইসময় তৎপরতা না দেখালে কী হতো বলা মুশকিল ছিল। তিনি সবার আগে ছুটে যান এরিকসেনের কাছে। তাঁর দলের সবথেকে নির্ভরযোগ্য ফুটবলারের জিভ যাতে গলায় আটকে না যায়, সেটা নিশ্চিত করেন। তারপর এরিকসেনের বুকে চাপ দিয়ে কৃত্রিম ভাবে তাঁর শ্বাস প্রক্রিয়া চালু রাখেন। চিকিৎসকরা মাঠে আসার আগেই কায়ের সতীর্থের জন্য সিপিআর চালু করে দেন।