দ্য ওয়াল ব্যুরো: কিছুটা সমস্যা মিটেছে, আবার মেটেওনি! ইস্টবেঙ্গলের প্রতিনিধি হিসেবে আইএফএ-র তিন শীর্ষ কর্তার সঙ্গে বৈঠক করলেন শ্রী সিমেন্টের আধিকারিক শিবাজি সমাদ্দার।
এর আগেও আইএফএ-তে সভা হয়েছে, সেইসময় ক্লাবের ইনভেস্টরদের পক্ষ থেকে কেউ সেখানে যাননি। এবার কেন গেলেন, সেটি নিয়ে ময়দানে কথা হচ্ছে। এটাই বলা হচ্ছে, ক্লাবের সঙ্গে যে সমস্যাগুলি হচ্ছে, সেগুলি সম্পর্কে সরাসরি অভিযোগ জানিয়ে এলেন ওই আধিকারিক।
আইএফএ বাংলা ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা। তারা যদি মনে করে, কলকাতা লিগ ইস্টবেঙ্গল না খেললে তাদের শাস্তিও দিতে পারে। ওই বিষয়টি যাতে না হয়, সেটি দেখার জন্যই ওই আধিকারিককে বিনিয়োগকারী সংস্থাদের তরফে পাঠানো হয়েছে।
আইএফএ-র তরফে কলকাতা লিগ নিয়ে আগে যে বৈঠকটি হয়েছিল, সেই বৈঠকে শ্রী সিমেন্টের তরফে কেউ আসেননি। লাল হলুদ প্রশাসনের তরফে এক আধা কর্তা এলেও তিনি পালিয়ে বাঁচেন। কারণ সেইসময় শ্রী সিমেন্টের এক শীর্ষ কর্তা ফোন করেছিলেন আইএফএ সচিবকে।
এ দিন আইএফএ কর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করলেও, ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি জট নিয়ে মুখ খোলেননি শিবাজি সমাদ্দার। শুধু তিনি বলেছেন, ‘‘যদি এসসি ইস্টবেঙ্গল কলকাতা লিগ খেলে, তা হলে নিজেদের সেরাটাই দেবে।’’ তাঁর দাবি, ‘‘আমরা তো কলকাতা লিগ খেলতে রাজি রয়েছি। কিন্তু এর পরে কী হবে, সেটা জানা নেই। কারণ দলগঠন শুরু হয়নি, অনেক ফুটবলার তো ক্লাবই ছেড়ে দিয়েছে।’’
আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখোপাধ্যায় এ প্রসঙ্গে সভা শেষে বলেছেন, ইস্টবেঙ্গল যদি কলকাতা লিগ বয়কট করে, তা হলে তাদের শাস্তি হবে নিয়ম মেনেই।
সোমবার সন্ধ্যার এই বৈঠকে আইএফএ-র তরফে ছিলেন প্রেসিডেন্ট অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়, চেয়ারম্যান সুব্রত দত্ত, যিনি আবার ফেডারেশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং সচিব জয়দীপ। যদিও এই সভায় কী করে অজিত বাবু থাকলেন, সেটি নিয়েও কথা হচ্ছে। তিনি একাধারে লাল হলুদ প্রশাসনে রয়েছেন, আবার আইএফএ-র শীর্ষ পদে, তিনি এই ব্যাপারে কী ভূমিকা নেবেন, সেই নিয়েও কথা হচ্ছে।
এই প্রথম শ্রী সিমেন্টের প্রতিনিধি সভায় থেকে তাদের ট্রান্সফার ব্যানের বিষয় ও চুক্তিপত্র নিয়ে সমস্যার কথা সবটাই ওই তিন কর্তাকে জানিয়েছেন। এমনকি শিবাজি বাবু সভা শেষে খুশি, তিনি বলেছেন, সুব্রত বাবু আমাকে সব নিয়ম কানুন সম্পর্কে অবহিত করেছেন। সভা ভাল হয়েছে, তবে এখনও জানি না ভবিষ্যতে কী অপেক্ষা করছে!