দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতের প্রুডেনশিয়াল কাপ জয়ী দলের সদস্য ছিলেন তিনিও। সেই রবি শাস্ত্রীকে নিয়ে মুখ খুলেছেন ১৯৮৩ সালে ভারতের বিশ্বকাপ জয়ী দলের অধিনায়ক কপিলদেব। তিনি দিল্লিতে এক বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন, ‘‘রবির কোনও প্রতিভা ছিল না, কিন্তু তারপরেও দীর্ঘদিন কী করে ভারতের হয়ে খেলে গিয়েছে, অবাক হতে হয়!’’
কপিল আরও বলেন, ‘‘শাস্ত্রী ভালমানের অ্যাথলিটও ছিল না, কিন্তু ছিল ভাল করার ইচ্ছে, এটাই দরকার যে কোনও ক্রীড়াবিদের ক্ষেত্রে। এরকম বহু উপমা দেওয়া যায়।’’
ভারতের কিংবদন্তি অলরাউন্ডারের ধারণা, ‘‘এমন অনেক খেলোয়াড় রয়েছে, যাদের প্রতিভা থাকে না, কিন্তু তাদের বিকাশ ঘটে না। আবার কেউ কম প্রতিভা নিয়ে আসে, কিন্তু লড়াইয়ের ইচ্ছে, সংকল্প তাদের অনেকদূর নিয়ে চলে যায়।’’
তিনি এই কথা প্রসঙ্গেই জানিয়েছেন অনিল কুম্বলের কথাও। ‘‘অনিলের দারুণ প্রতিভা রয়েছে, কেউ বলবে না। কিন্তু বহুদিন দেশের হয়ে খেলেছে, সাফল্যও পেয়েছে, তার কারণ তাগিদ। পাশাপাশি শিবরামকৃষ্ণান, প্রতিভা থাকা সত্বেও হারিয়ে গিয়েছে, সেই ভাবে বিকাশ ঘটেনি’, এরকম দৃষ্টান্ত দিয়েছেন কপিল।
কপিল তাঁর পুরনো সতীর্থ, বর্তমানে বিরাট কোহলিদের কোচ শাস্ত্রী সম্পর্কে আরও বলেছেন, “শাস্ত্রীর মধ্যে ভাল কিছু করার জেদ ছিল। দলের সম্পদ ছিল আমাদের। আমরা বলতাম ও যদি ৩০ ওভার খেলে ১০ রান করে, তাতেও কোনও ক্ষতি নেই। ৩০ ওভার খেলাই বিশাল ব্যাপার। বল পুরনো হয়ে গেলে তখন রান করাও সহজ হয়ে যায়।”
১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপে খুব বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি তরুণ শাস্ত্রী। তবে ১৯৮৫ সালের বেনসন অ্যান্ড হেজেস কাপে শাস্ত্রী সেরা ক্রিকেটার হয়ে সেইসময় অডি গাড়ি পুরস্কার পেয়েছিলেন।
ভারতের হয়ে ৮০টি টেস্ট খেলেছেন শাস্ত্রী। করেছেন ৩৮৩০ রান এবং নিয়েছেন ১৫১টি উইকেট। একদিনের ক্রিকেটে ১৫০টি ম্যাচ খেলে করেছেন ৩১০৮ রান এবং নিয়েছেন ১২৯টি উইকেট।