Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্যক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালীIPL 2026: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরে টেবিলের তলানিতে কেকেআর! গুরুতর বদলের ইঙ্গিত রাহানের নববর্ষের 'শুভনন্দন'-এও মুখ্যমন্ত্রীর SIR তোপ! বাংলায় পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল‘ইরানকে বিশ্বাস নেই’, যুদ্ধবিরতির মাঝে বিস্ফোরক জেডি ভ্যান্স! তবে কি ভেস্তে যাবে শান্তি আলোচনা?

রামোসের হেডেই ১০ হাজার গোল হল উয়েফাতে! প্রথম গোলটি কে করেছিলেন 

এদিনের ম্যাচের শুরুতে সেভিয়ার স্ট্রাইকার ইভান রাকিতিচের ক্রস থেকে পাওয়া বলে মাথা ছুঁইয়ে পিএসভির জালে জড়িয়ে দেন রামোস।

রামোসের হেডেই ১০ হাজার গোল হল উয়েফাতে! প্রথম গোলটি কে করেছিলেন 

শেষ আপডেট: 30 November 2023 13:46

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দল হারলেও সার্জিও রামোসকে নিয়ে চর্চার শেষ নেই। তাঁর গোলেই উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ নতুন মাইলফলক ছুঁয়েছে। বুধবার র‌ামন সানচেজ পিজুয়ান স্টেডিয়ামে পিএসভির সঙ্গে খেলা ছিল সেভিয়ার। সেই মাঠে সেভিয়ার হয়ে প্রথম গোল আসে রামোসের পা থেকে। তিনি বল জালে জড়াতেই উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে ১০ হাজার গোল হয়ে গেল।

এদিনের ম্যাচের শুরুতে সেভিয়ার স্ট্রাইকার ইভান রাকিতিচের ক্রস থেকে পাওয়া বলে মাথা ছুঁইয়ে পিএসভির জালে জড়িয়ে দেন রামোস। আর সেই গোলই উয়েফা চ্যাম্পিয়ন লিগের দশ হাজারতম গোল। যদিও সেই ম্যাচ ৩-২ গোলে হারে সেভিয়ার।

উয়েফা লিগে প্রথম গোলটি করেছিলেন ব্রুগার নাইজেরিয়ান ক্লাবের ফরোয়ার্ড দানিয়েল আমোকাশি। সালটা ১৯৯২। ইউরোপিয়ান কাপ সেই বছরেই নাম বদলে হয়েছিল উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ। প্রথম মরশুমে প্রথম গোল করে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখিয়েছিলেন দানিয়েল। তারপর মাঝে কেটে গেছে ৩১ বছর। বুধবার লিগের ১০ হাজারতম গোলটি করলেন রামোস। ফুটবল বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও প্রতিযোগিতায় প্রথম গোল ও ১০ হাজারতম গোলের মধ্যে পার্থক্যের বিচারে এটাই সবচেয়ে বেশি সময়। 

১৯৯২ সালে প্রথম গোল হয় উয়েফাতে। কিন্তু এই প্রতিযোগিতায় ১ হাজারতম গোলটি হতে সময় লেগেছিল ৬ বছর। ১৯৯৮ সালে পিএসভির রাশিয়ান মিডফিল্ডার দিমিত্রি খোকলভ সেই গোলটি করেছিলেন। হাজার থেকে দু'হাজার গোলে পৌঁছতে উয়েফা লিগের সময় লেগেছিল আরও ৩ বছর। ২০০১ সালে ২০০০ তম গোলটি করেছিলেন ফার্নান্দো কুতো। উয়েফাতে ২০০৩ সালে ৩ হাজারতম গোলটি করেছিলেন জুভেন্টাসের হয়ে ফ্রান্স তারকা ডেভিড ত্রেজেগে।

উয়েফা লিগে তিন হাজার থেকে চার হাজারতম গোলের মধ্যে ব্যবধান ছিল ৪ বছর। ২০০৭ সালে এই লিগে চার হাজারতম গোলটি করেছিলেন লিভারপুলের স্ট্রাইকার পিটার ক্রাউচ। ২০১০ সালে উয়েফাতে পাঁচ হাজারতম গোল হয়। প্রাক্তন ব্রাজিল ফুটবলার লুইজাওর পায়ে সেই মাইলস্টোন ছুঁয়েছিল উয়েফা। সে সময় লুইজাও খেলতেন বেনফিকার হয়ে।

এই লিগে সার্জিও রামোস আগেও ইতিহাস লিখেছিলেন। তাঁর পায়েই লিগের ৬ হাজারতম গোলটি হয়েছিল। তখন তিনি খেলতেন রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে। সালটা ছিল ২০১৩। ৭ হাজার, ৮ হাজার ও ৯ হাজারতম গোলটি হয়েছে যথাক্রমে ২০১৫, ২০১৮ ও ২০১৯ সালে। ডি মারিয়া, এরিক লামেলা ও এমারসনের হাত ধরেই এই মাইলফলকগুলি ছুঁয়েছে উয়েফা। কিন্তু ৯ থেকে ১০ হাজার তম গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে ৪ বছর। ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৩ সালে রামোসের গোলেই উয়েফা পৌঁছল নতুন মাইলস্টোনে।


```